
যেখানে সবাই শহরে বা গ্রামে ঢুকতেই ত্রাণ দিয়ে থাকে সেখানে ধলপুরের স্বেচ্ছাসেবকরা করেছে তার ভিন্ন। তারা অজপাড়া গায়ে গিয়ে যেখানে কেউ ত্রাণ বিতরণ করেনি সেখানে ত্রান দিয়ে এসেছে। পজুময়িার হাট, কমল নগর, লক্ষীপুর এ কোমর সমান পানি ভেয়ে গিয়ে বন্যার্তদের হাতে হাতে ত্রাণ দিয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে যারা সত্যিকার অর্থে ত্রাণ বঞ্চিত তারাই ত্রাণ পেলো যাত্রাবাড়ীর ধলপুরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে। এই ত্রাণ বিতরণের জন্য তারা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। যখন প্রচার হচ্ছিলো যে, বন্যার্তরা সবাই ত্রাণ পাচ্ছে না। শুধু মাত্র শহেরর আশে পাশে যারা আছে তারাই একাধিকবার ত্রান পাচ্ছে ঠিক তখনই ধলপুরের স্বেচ্ছাসেবকরা গিয়েছে অজপাড়া গ্রামে।
যেখানে এর আগে ত্রাণ বিতরণ হয়নি। এবং তারা সত্যিকার অর্থেই অনেক কষ্টে ছিলো। ত্রাণ বিতরণের সময় যার কাছেই যায় তাদের চোখে মুখে ছিলো একটা দীর্ঘ নিশ্বাস। কারণ তারা বন্যায় অনেক বড় বিপদে ছিলো। না ছিলো খাবার, না ছিলো বিশুদ্ধ পানি। আর যখন ত্রাণ পেলো তাদের মুখে স্বস্তির ছাপ পড়ে। ধলপুর থেকে ফেনীর বন্যায় যেমন প্রথম দিন থেকেই কাজ চলছিলো ঠিক সেভাবে নোয়াখালী, লক্ষীপুর যখন বন্যায় আক্রান্ত তখন তারা সেখানেও পৌছে যায়। যখন যেখানে প্রয়োজন ধলপুরের স্বেচ্ছাসেবকরা সেখানে গিয়ে হাজির। ত্রাণ দেয়ার সময় বন্যার্তদের অনেক সহযোগিতা পায় স্বেচ্ছাসেবিরা। তারা এই অবস্থায়ও অনেক সাহায্য করেছে স্বেচ্ছাসেবিদের। কারণ এক অপরিচিত এলাকায় গিয়ে ত্রাণ দেয়া সহজ কাজ নয়। গ্রামবাসীর সহায়তায় তারা সুন্দরভাবে ত্রাণ কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছে বলে স্বেচ্ছাসেবীরা জানিয়েছে। না হয় তাদের ত্রাণ বিতরণ সহজ হতো না। ত্রাণের প্যাকেটে শুকনো খাবার, প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি, শিশুদের প্যাকেটজাত দুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ওষুধ, স্যালাইন, দিয়াশলাই, মহিলাদের স্যানেটারি ন্যাপকিন ছিলো। যাতে করে একটি পরিবার এই বিপদে কিছুটা হলেও স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারে।





































