
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুর সদর উপজেলার কসবাকাচারি পাড়া এলাকায় আপন ভাগ্নেকে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী ভাগ্নে শফিকুল ইসলাম।
সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি আমার আপন মামা চরশেরপুর ধোপাঘাট এলাকার বাসিন্দা ফরেস্ট অফিসার মো: সহিদুর রহমানের কাছ থেকে ৬৯১৮ নং দলিল মূলে পৌনে ৭১শতাংশ জমি ক্রয় করি।(যার খারিজ নং ৭৬৫২) উক্ত জমি দলিল সম্পাদন করে আমি গ্রামের জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে জমি বুঝে নেই। এবং উক্ত জমি বর্তমানে আমার দখলে আছে। কিন্তু সেই জমি বেদখল করার উদ্দেশ্যে আমার মামা মো: সহিদুর রহমান আমার ক্রয়কৃত জমিতে লাগানো গাছপালা নষ্ট সহ মালিকানা সাইনবোর্ড উপরে ফেলে ও আমাকে মারধর করা সহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে আমার প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ফলে আমি বাধ্য হয়ে শেরপুর সদর থানায় গত ১৪ এপ্রিল একটি সাধারণ ডায়েরি করি।
যা তদন্তাধীন আছে।
সম্প্রতি আমি আমার ক্রয়কৃত জমিতে একটি ঘর নির্মাণ করলে আমার মামা সহিদুর রহমান তার লোকজন দিয়ে আমাকে মেরে ফেলা সহ জমি দখল ও ঘর ভাঙার হুমকি দিচ্ছে। বিষয়টি আমার জিডি তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করছি।
এছাড়া সহিদুর রহমান আমার আপন মামা, আমি যাতে তার কাছ থেকে ক্রয়কৃত জমি পুনরায় তাকে দলিল করে দিতে বাধ্য হই সেজন্য আমার নামে চারটি মিথ্যা মামলা (মামলা নং ১৬৩২/২০২৪,১৬৩১/২০২৪, ননজিআর ১৬২৫,৪১/২০২৫) দিয়ে হয়রানি করছেন। ফলে আমি আমার ৩ সন্তান স্ত্রী সহ চরম নিরাপত্তাহ হুমকিতে আছি।
আমি মোটেও এ ঘটনাগুলোতে জড়িত নই। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার চাই।
বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকার মো: জিন্নাহ বলেন,শফিকুল তার মামার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছে। মূলত এই বিষয়টি নিয়েই দ্বন্দ্ব চলছে।যার জন্য তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
এ ব্যাপারে জিডি তদন্ত কর্মকর্তার সাথে বললে, তিনি আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে সহিদুর রহমানের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠোফোনে (০১৭৪৯৪৬৯৪৭৫) কল দিলে, তার ছেলে কল রিসিভ করে বাবা অসুস্থ কথা বলতে পারবেন না বলে এড়িয়ে যায়।



































