
আতিক ফারুকী, নিজস্ব প্রতিবেদক :
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জড়িয়ে দেওয়া বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন এবং ক্ষমা চান।
ভিডিও বার্তায় মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত সোমবার তাঁর ইউনিয়নে দুস্থদের মাঝে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় কয়েকজন কার্ডধারী দেরিতে উপস্থিত হওয়ায় তাঁদের জন্য নির্ধারিত চাল উপস্থিত অন্যান্য সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। ফলে দেরিতে আসা কয়েকজন কার্ডধারী চাল না পেয়ে ফিরে যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
তিনি আরও বলেন, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে কার্ড বিতরণের বিষয়ে তাঁর নামে যে বক্তব্য প্রচারিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। বাস্তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্যের সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, “কথা বলতে গিয়ে যদি কোনো ভুল বা অনিচ্ছাকৃত বক্তব্য দিয়ে থাকি, সে জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।”
উল্লেখ্য, গত সোমবার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়। তবে ওইদিন অনেক কার্ডধারী চাল না পেয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহেবুর আলম ও সাধারণ সম্পাদক ইনামুল গণি রুবেলকে ৩৫০টি কার্ড দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান দাবি করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশেই এসব কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।




























