
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের আবেগের মিলনমেলা। সেই মহাযজ্ঞেরই এক স্মরণীয় মুহূর্তের অংশ হয়ে ইতিহাসের পাতায় ছোট্ট একটি জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ৯ বছর বয়সী আয়ান ওয়ালি।
গত ২৪ জুন কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচে খেলোয়াড়দের সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করে আয়ান। প্রায় ৫৬ হাজার দর্শকে ভরা স্টেডিয়ামে সে ছিল একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান শিশু।
আয়ানের বাবা সুমন ওয়ালি ও মা নিপু ওয়ালি কানাডাপ্রবাসী। তবে তাদের পারিবারিক শিকড় নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার সোনাকান্দা এলাকায়। প্রায় চার দশক ধরে পরিবারটি কানাডায় বসবাস করলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের আত্মিক বন্ধন অটুট।
পরিবারের সদস্যদের ভাষায়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরের মঞ্চে আয়ানকে খেলোয়াড়দের পাশে হাঁটতে দেখে মনে হয়েছে, যেন বাংলাদেশের লাল-সবুজও নীরবে সেখানে উপস্থিত ছিল। মুহূর্তটি শুধু তাদের পরিবারের নয়, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির কাছেও গর্বের।
ফুটবলে শিশুদের ‘প্লেয়ার এসকর্ট’ হিসেবে মাঠে প্রবেশের অভিজ্ঞতা বিশ্বজুড়ে বিশেষ সম্মানের বলে বিবেচিত হয়। আন্তর্জাতিক তারকাদের পাশে হাঁটার এই স্মৃতি আয়ানের জীবনে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেই বিশ্বাস পরিবারের।
পরিবারের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে খেলাধুলা কিংবা অন্য যে কোনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আয়ান আরও সাফল্য অর্জন করবে এবং বাংলাদেশ ও নারায়ণগঞ্জের নাম বিশ্বদরবারে আরও উজ্জ্বল করবে।




























