
স্টাফ রিপোর্টার :ব্যবসা তাঁকে দিয়েছে পরিচিতি,মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তৈরি করেছে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা। এবার সেই অভিজ্ঞতা ও সম্পৃক্ততাকে ব্যবসায়ী সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে কাজে লাগানোর প্রত্যাশা নিয়ে সাংগঠনিক নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন ব্যবসায়ী আলী আহমদ।তাহিরপুর কয়লা ও চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের আসন্ন নির্বাচনে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে তাঁর প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
আলী আহমদ তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মরহুম রবিউল্লাহ সাহেবের সুযোগ্য সন্তান। তিনি তিশা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী।ব্যবসায়িক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করার পাশাপাশি এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিকভাবেও পরিচিতি অর্জন করেছেন। বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটময় সময়ে মানুষের পাশে থাকার মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক ও সম্পৃক্ততা গড়ে উঠেছে।
আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তাহিরপুর কয়লা ও চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের নির্বাচন।এই নির্বাচনে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলী আহমদ।তাঁর প্রার্থিতাকে ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে নতুন করে আলোচনায় এসেছে সংগঠনের নেতৃত্ব,ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সদস্যদের প্রত্যাশা পূরণের বিষয়গুলো।
তাহিরপুরের কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি ব্যবসা স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।এ খাতের ব্যবসায়ীদের প্রতিনিয়ত নানা বাস্তব চ্যালেঞ্জ,প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক জটিলতা এবং ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়।এসব সমস্যা মোকাবিলায় একটি কার্যকর ব্যবসায়ী সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ব্যবসায়ীদের অভিন্ন স্বার্থ তুলে ধরা, প্রশাসনের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়,সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সংগঠনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়গুলো তাই নির্বাচনের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
ব্যবসায়ী মহলে অনেকের প্রত্যাশা,সংগঠনের নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন, যাঁরা কেবল পদ-পদবির মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখবেন না;বরং ব্যবসায়ীদের বাস্তব সমস্যা বুঝবেন,সদস্যদের কথা শুনবেন এবং সম্মিলিত স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততাও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠছে।
আলী আহমদের প্রার্থিতাকে ঘিরেও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে—ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জনের সুযোগ পেলে তিনি তাঁদের অধিকার,সমস্যা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কতটা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারেন,সেটিই হবে তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম মূল্যায়ন।শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে সংগঠনের আগামী দিনের নেতৃত্ব।
ব্যক্তিগত পরিচিতিকে সাংগঠনিক দায়িত্বে রূপান্তর করে ব্যবসায়ী সমাজের সম্মিলিত কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠাই এখন আলী আহমদের প্রার্থিতার মূল প্রত্যাশা।
আলী আহমদ বলেন,আমি ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ বা পদ-পদবির আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিনি।ব্যবসায়ী ভাইদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাঁদের ন্যায্য স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় কাজ করার প্রত্যয় নিয়েই সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছি।আমি বিশ্বাস করি,একটি শক্তিশালী ব্যবসায়ী সংগঠন গড়ে তুলতে হলে সবার মতামত, পারস্পরিক শ্রদ্ধা,ঐক্য ও সহযোগিতার বিকল্প নেই।নির্বাচিত হলে ব্যবসায়ীদের বাস্তব সমস্যা ও দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরব। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা নিরসনে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব। সংগঠনের প্রতিটি সদস্যের মতামত ও অধিকারকে সম্মান জানিয়ে স্বচ্ছতা,জবাবদিহি এবং সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কাজ করতে চাই। আমি পদ নয়, দায়িত্ব পালনের সুযোগ চাই।ভোটারদের ভালোবাসা,সমর্থন ও মূল্যবান ভোট পেলে তাঁদের আস্থার প্রতিদান দিতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব।ব্যবসায়ীদের ঐক্যই হোক আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।




























