
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধা ঃ সমাজকল্যাণ, মানবসেবা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “হৃদয়ের চরাঞ্চল”-এর সুচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) গাইবান্ধা শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত যমুনা ক্লিনিকে আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, প্রকৌশলী, ব্যাংকার ও সমাজসেবীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ শরিফুল ইসলাম (শফিকুল ইসলাম), এজিএম, সোনালী ব্যাংক পিএলসি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “একটি মানবিক, সচেতন ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হৃদয়ের চরাঞ্চল মানুষের কল্যাণে কাজ করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি। সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডাঃ এবিএস আবু হানিফ, সাবেক পরিচালক (প্রশাসন), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা। তিনি সংগঠনের উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সংগঠনটির করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “মানবতার সেবাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও চরাঞ্চলের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করবে হৃদয়ের চরাঞ্চল। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আবু হানিফ,(শিক্ষক, মোস্তাফিজুর রহমান, আক্তার হোসেন, মাইদুল ইসলাম) , নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম, খালেকুজ্জামানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং অসহায় মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সভায় বক্তারা আরও আশা প্রকাশ করেন যে, “হৃদয়ের চরাঞ্চল” শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়, বরং মানবতার কল্যাণে নিবেদিত একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হবে। চরাঞ্চলসহ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগঠনটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। সুচনা সভা শেষে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং মানবসেবার ব্রত নিয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মানবতার জয়গান গেয়ে, মানুষের কল্যাণকে সামনে রেখে “হৃদয়ের চরাঞ্চল”-এর এই পথচলা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।




























