
। জুয়েল হাওলাদারঃ শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি। বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নে শহীদ তিতুমীর একাডেমির শিক্ষক মিরাজ গাজীর বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়াকে প্রকাশ্যে বাজারের রাস্তায় বসে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে তাফাল বাড়ি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগে জানা যায়, নবম শ্রেণির ছাত্র শাহারিয়া বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত ফুটবলটি শিক্ষক মিরাজ গাজীর গায়ে বা পায়ের কাছে লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক তাকে বাজারের রাস্তায় চড়-থাপ্পড় মারেন এবং পরে লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ছাত্র। ভুক্তভোগী ছাত্র এখন চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। ছাত্র শাহারিয়া জানায়, ফুটবলটি শিক্ষকের পায়ের কাছে যাওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে চড় মারেন এরপরে আমাকে কেন মেরেছে জানতে চাইলে পরে লাঠি দিয়ে গায়ে ও পিঠে আঘাত করেন। এতে সে আহত হয়। ছাত্রের মা ও চাচা শাহিন এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজন শিক্ষক এভাবে শিক্ষার্থীকে রাস্তায় বসে মারধর করতে পারেন না।এবং ছাত্রের চাচা শাহিন বলেন ওর বাবা নেই ওর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি ওকে দেখাশোনা করি এইভাবে একজন শিক্ষক সামান্য কারণে মেরেছে রাস্তায় বসে এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার চাই।তবে অভিযুক্ত শিক্ষক মিরাজ গাজী ছাত্রকে মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, ছাত্রটি ইচ্ছাকৃতভাবে কাদাযুক্ত ফুটবল তার গায়ে মারে এবং খারাপ আচরণ করায় তিনি তাকে তিনি প্রথমে দুটি চড় থাপ্পর মারে,ছাত্র অকথ্য ভাষা গালাগালি করা নেতাকে রাস্তার পাশ থেকে একটি লাঠি দিয়ে মারেন। পরে ছাত্রের মামা বাদলের হাতে তিনিও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে ছাত্রের মামা বাদল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভাগ্নেকে মারধরের খবর পেয়ে তিনি শুধু শিক্ষকের কাছে ঘটনার কথা শুনতে গেছিলেন তখন রাগের মাথায় শিক্ষকের কাছে কেন মেরেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন দোষ করেছে তাই মেরেছি এতে আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তার তার উপর রেগে গেলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান তবে কোন মারধর করা হয়নি। এ ব্যাপারে শরণখোলা থানা-র ওসি সামিনুল হক বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




























