
। শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের শরণখোলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ শরণখোলা এপির উদ্যোগে ইউপিজি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘দানের আনন্দ’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নিজেদের সীমিত সামর্থ্য থেকে হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অন্য দরিদ্র পরিবারের মাঝে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলার ধানসাগর ও রায়েন্দা ইউনিয়নে পৃথকভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশে ইউপিজি পরিবারের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। ওয়াল্ড ভিশনের সূত্রে জানা যায়,শরণখোলা উপজেলার মোট ২০০ ইউপিজি পরিবারের মাঝে এর আগে স্বাবলম্বী হতে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছিলো,সেখান থেকেই তারা এই হাঁস, মুরগি, গরু ও ছাগল গুলো কিনেছিলো।ধানসাগর ইউনিয়নে ৫০ জন ইউপিজি সদস্যের মধ্যে ২৬ জন ‘দানের আনন্দ’ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা সম্মিলিতভাবে ১৫টি ছাগল, একটি গরুর বাছুর এবং ১৫টি হাঁস-মুরগি অন্য হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে দেওয়ার জন্য প্রদান করেন।অন্যদিকে, রায়েন্দা ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজাপুর ও উত্তর কদমতলা গ্রামের ২৫টি ইউপিজি পরিবার নিজেদের লালন-পালন করা হাঁস-মুরগি ও ছাগল অন্য হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে বিতরণ করেন। নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা সীমিত হলেও অন্যের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়ায়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শরণখোলা উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান, ধানসাগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক সচিব ফারুক হোসেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ শরণখোলা এপির এরিয়া ম্যানেজার ক্যারোল সুশ্রী, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার আগস্টিন মিস্ত্রি এবং ধানসাগর পিএফের প্রোগ্রাম অফিসার রোজলিন নুপুর ঘরামীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।আয়োজকরা জানান, ইউপিজি পরিবারের সদস্যদের আত্মনির্ভরশীল করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তৈরি করাই ‘দানের আনন্দ’ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। নিজেদের উন্নতির পাশাপাশি অন্য অসহায় পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করাই এ উদ্যোগের মূল বার্তা। জুয়েল হাওলাদার।




























