
দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীতে পা রাখলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমানের হযরত শাহমখদুম (র.) দরগা শরিফ জিয়ারত করার কথা রয়েছে। এরপর তিনি নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।
সকাল থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাদ্রাসা মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। দুপুর গড়াতেই মাঠের অর্ধেকের বেশি অংশ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। শুধু মাঠ নয়, আশপাশের এলাকাগুলোতেও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের স্রোত এখন মাদ্রাসা মাঠমুখী।
জনসভায় যোগ দিতে আসা নেতা-কর্মীরা জানান, তাঁরা তাঁদের নেতার কাছ থেকে রাজশাহীর উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা শুনতে চান। অনেকের প্রত্যাশা একটি সন্ত্রাসমুক্ত দেশ ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ঘোষণা আসবে এই মঞ্চ থেকে।
রাজশাহীর জনসভা শেষে তারেক রহমান আজই উত্তরবঙ্গের আরও দুটি জেলায় সফর করবেন:
- নওগাঁ: বেলা সাড়ে তিনটায় নওগাঁর উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। সেখানে এটিএম মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
- বগুড়া: রাত আটটায় বগুড়ার আলতাফুন্নেসা মাঠে আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
রাজশাহীর এই জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগর ছাড়াও নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়েছেন। একইভাবে নওগাঁর জনসভায় জয়পুরহাট এবং বগুড়ার জনসভায় পাবনা ও সিরাজগঞ্জের নেতা-কর্মীদের সমাগম ঘটবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সর্বশেষ ২০০৪ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রাজশাহী সফর করেছিলেন তারেক রহমান। ২২ বছর পর দলীয় প্রধান হিসেবে তাঁর এই প্রথম সফরকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
আজকের এই জনসভা থেকে তারেক রহমান ধানের শীষের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।






































