
এক মাসের মধ্যে দেশের ৪২৯টি এনসিডি কর্নারে ওষুধ সংকট শুরু হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারেন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও অ্যাজমার ১১ লাখ রোগী। ওষুধ কিনতে বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
শহর বা গ্রাম ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের রোগী এখন ঘরে ঘরে। চার কোটির মতো মানুষ এ দুই রোগে ভুগছেন বছরের পর বছর। পাশাপাশি বাড়ছে নতুন রোগী।
তেজগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কাজী ওমর ফারুক বলেন, এসব রোগীর চিকিৎসায় সদর হাপসাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪২৯টি এনসিডি কর্নার রয়েছে। যেখানে পাঁচ ধরনের ওষুধ দেওয়া হয় বিনামূল্যে। একসঙ্গে এক মাসের ওষুধ পান রোগী। কিন্তু বেশিরভাগ কর্নারে ওষুধের মজুত প্রায় শেষ। এতে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক শেখ ছাইদুল হক বলেন, নতুন অপারেশন প্ল্যান না থাকায়, গত ১০ মাস ধরে অর্থ সংকটে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর প্রভাব পড়েছে পুরো সেবাখাতে। এনসিডি কর্নারের ওষুধ কিনতে ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিলেও মেলেনি সাড়া।
দেশে মোট মৃত্যুর ৭১ ভাগই অসংক্রামক নানা রোগে। ওষুধের সংকট বেশি দিন চললে, মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।







































