
মোঃ আশিকুর রহমান আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :-
আজমিরীগঞ্জে ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরায় এলাকাগুলোতে ঘরমুখো মানুষের স্রোত নেমেছে, ফলে সর্বত্র উৎসবমুখর ও সরগরম পরিবেশ বিরাজ করছে । রাজধানীসহ বিভিন্ন শহর থেকে মানুষ লঞ্চ, বাস ও ট্রেনযোগে গ্রামে ফিরছেন। এই ব্যস্ততায় গ্রামীণ জনপদ ফিরে পেয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য এবং মার্কেটগুলোতে কেনাকাটা বেড়েছে।ঈদে বাড়ির দিকে রওনা হওয়া জনস্রোতের বড় অংশ শহরের শ্রমজীবী মানুষ। ঈদের আগে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রিয়জনদের জন্য নতুন জামাকাপড় কিনে বাড়ি ফেরেন তাঁরা৷ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সাথে আড্ডা এবং সময় কাটানোয় এলাকাগুলো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে,
ঈদে শিকড়ে ফেরার তোলপাড় করা উন্মাদনা বাঙালি তরুণ ছাড়া আর কাউকেই ছুঁয়ে যায় না।চট্টগ্রাম থেকে আসা আনিসুল ইসলাম বলেন, ‘জীবনের শত ব্যস্ততার মধ্যেও এ ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরে আসি মায়ের হাতে সেমাই আর আব্বুর কাছ থেকে সেলামি পেতে। উফ কী যে আনন্দ! আর ছোটবেলা থেকেই আমার পাড়া বেড়ানোর স্বভাব। ঈদের দিন দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই বন্ধুদের নিয়ে পাড়ার এ-বাড়ি ও-বাড়ি ঘুরতে থাকি, এতে সবার সঙ্গে দেখা হয়; সালামিটাও পাওয়া যায়। ঢাকা থেকে আসা গার্মেন্সকর্মি জুলেখা বেগমর সঙ্গে আলাপ করলে তিনি বলেন ‘ঈদ মানেই আনন্দ গ্রামের বাড়িতে বাবা মা, ভাই বোনদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া । বেতন বোনাস পেয়ে সবার জন্য টুকটাক কিছু কিনেছি। আগের বছর বাড়ি যাইনি। এবার এলাকার আরও অনেকেই একসঙ্গে যাচ্ছি।’
নতুন পোশাকে ঈদের নামাজ পড়া এবং সেমাই, পায়েস ও বিভিন্ন খাবারের আয়োজন করা হয়।স্থানীয় বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় থাকে, যা আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এলাকার এই আনন্দময় পরিবেশে সবার মাঝে প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়।ঈদে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জানতে
আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আকবর হোসেন সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ করলে
তিনি বলেন , ঈদের দিন আইন শৃংখলা স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে। বিভিন্ন টিম কাজ করছে। এবং কোন অপ্রিতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য এক দল পুলিশ টিম ঢহলে থাকবে।




























