
স্টাফ রিপোর্টারসুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জ–১ (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আওতাধীন তাহিরপুর উপজেলার আলমখালি ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং বাঁধের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।পরিদর্শনকালে স্থানীয় কৃষক,হাওর ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতাসহ এলাকাবাসী বাঁধ নির্মাণ কাজের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অভিযোগ করেন,কাজের বিভিন্ন অনিয়ম এবং তদারকির ঘাটতির কারণে বাঁধের গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ–সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেনের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ তুলে ধরেন স্থানীয়রা।এসময় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,আমি জনতার এমপি। আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ও সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন,যাতে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ কার্যকরভাবে কৃষকের ফসলকে সুরক্ষা দিতে পারে।তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ–সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেনকে উদ্দেশ করে বলেন,আমি হাওরপাড়ের সন্তান,এসব বিষয় আমি ভালোভাবেই বুঝি। চেক আপনি না দিলেও চেকে টাকার অঙ্ক আপনি লিখে দেন এর বিনিময়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আমি সবার সামনে বলছি, আপনি সম্মানিত মানুষ,তাই সম্মান রেখেই বলছি—কোনো প্রকার অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠিনভাবে জবাব দিতে হবে।এ সময় বিএনপি নেতা শফিউল আলম অভিযোগ করে বলেন, তাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে যে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিল থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি শুনে সংসদ সদস্য সংশ্লিষ্ট উপ–সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুনাব আলী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং এলাকার সাধারণ মানুষ।স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলে বাঁধের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে এবং হাওরের কৃষকের স্বপ্নের ফসল নিরাপদ থাকবে।




























