শিরোনাম
দক্ষিণ চট্টগ্রামে মহাসড়ক যানজট মুক্ত রাখতে পুলিশ সুপারের পরিদর্শন সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৭ শতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ চন্দনাইশে জাহাঁগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফে কাল ৯টায় ঈদুল ফিতরের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে লাকসাম উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন ডা. নুর উল্লাহ রায়হান পোরশায় দুস্থ ও অসহায় জনসাধারণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ পত্নীতলায় নজিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এলামনাই গঠনের লক্ষ্যে র‌্যালী অনুষ্ঠিত নাঙ্গলকোটে হাজী আব্দুস ছাত্তার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ধুনট বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নবাগত ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী গৌরীপুরে সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মুরাদনগরে ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ চাপা পড়ে নারীর মৃত্যু
বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ২০২৬
বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ২০২৬

আন্দোলনে সড়ক-রেলের ক্ষতি প্রায় ৪৭ কোটি

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ, সহিংসতা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ হয়েছে। এসময় কোথাও বাস-ট্রাকে আগুন দেওয়া হয়েছে, কোথাও ভাঙচুর করা হয়েছে। দুর্বৃত্তদের আগুনের শিকার হয়েছে ট্রেনও। ফলে এখনো বন্ধ রয়েছে ট্রেন চলাচল। এসব ঘটনায় সড়ক ও রেলের প্রায় ৪৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয় ১ জুলাই। ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষের পর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। পরদিন ১৬ জুলাই থেকে এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হামলা, সংঘর্ষ, সহিংসতা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।


কোটা সংস্কার আন্দোলনে হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে গত ১৮ জুলাই সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এমন পরিস্থিতিতেও বাস চালানোর নির্দেশ আছে বলে তখন জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ও মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। তবে তখন অনেক মালিকই রাস্তায় গাড়ি নামাননি। আর যারা নামিয়েছেন তাদের কোনো গাড়িতে হয় অগ্নিসংযোগ নয়তো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।


বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ও মালিক সমিতির হিসাব বলছে, ঢাকায় সর্বমোট অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে সাতটি বাসে। প্রতিটি ১০ লাখ টাকা হিসাবে আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ ৭০ লাখ টাকা। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ৬৯টি বাসে। সেখানে আনুমানিক ক্ষতি ধরা হয়েছে ২৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ঢাকার বাইরের জেলায় দুটি ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এতে আনুমানিক ক্ষতি হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।


সমিতি আরও জানিয়েছে, সারা দেশে মোট অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ৭৮টি গাড়িতে। এতে আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ঢাকাসহ সারা দেশে সর্বমোট ১২৫টি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৬২ লাখ টাকা।



কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঢাকাসহ সারা দেশে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে ২০৩টি গাড়ি। এতে সর্বমোট আনুমানিক ২৪ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ও মালিক সমিতি।


এত গেল দৃশ্যমান ক্ষতির হিসাব। এর বাইরে সারা দেশে গাড়ি চলাচল না করায় প্রতিদিন পরিবহন খাতে ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছে সমিতিটি।


এ বিষয়ে বাংলাদেশ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ও মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক (ঢাকা) সফিকুল আলম খোকন বলেন, যেটা ক্ষতি হয়ে গেছে সেটার চিন্তা-ভাবনা আমাদের নেই। সরকারও এখন নিজের অবস্থান নিয়ে ব্যস্ত। আমরা সরকারকে আমাদের ক্ষতির কথা জানাব। এর আগেও গাড়ি পোড়ানো হয়েছিল।


তিনি বলেন, এখন যা ক্ষতি হয়েছে তা মালিকদের ক্ষতি, দেশের ক্ষতি। সব কিছু মিলে প্রতিদিন পরিবহন খাতে গড়ে মিনিমাম ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।


কোটা সংস্কার আন্দোলনে সড়ক পরিবহনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়েও। নিরাপত্তার স্বার্থে সারা দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলাচল করছে তেলবাহী ও কন্টেইনারবাহী ট্রেন।


আন্দোলনের মধ্যে গত ১৯ জুলাই ঢাকায় আসার পথে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয় কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস। ট্রেনের তিনটি কোচে আগুন দেয় তারা। মুহূর্তেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় নতুন কেনা তিনটি কোচ। এতে রেলওয়ের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। এছাড়াও সেদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হামলা করা হয় সোনার বাংলা, কক্সবাজার, পারাবত এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেনে। এতেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি কোচ।


১৯ জুলাই রাতে সারা দেশে কারফিউ জারি করা হলে বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। এতে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ে রাষ্ট্রীয় এই পরিবহন খাত। এদিকে ১৯ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত সময়ের বিক্রি হওয়া ট্রেনের টিকেটগুলোর টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে রেলওয়ে। রেলওয়ের বাণিজ্যিক বিভাগ জানিয়েছে, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলে প্রতিদিন অন্তত ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।


এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা ২২ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করেছি। বিভিন্ন জায়গায় সিগনালিং ব্যবস্থার সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ট্রেনে আগুন দেওয়া, বিভিন্ন ট্রেনের জানালার কাচ ভেঙে দেওয়াসহ বেশ কিছু কোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার জন্য চলাচলরত অবস্থায় ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। কোচ, ইঞ্জিন, ইলেকট্রিক সিস্টেম যেহেতু কয়েকদিন বন্ধ রয়েছে, এসব ছোটখাটো পরীক্ষা আমরা অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারব। ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে আমরা নিরাপত্তার সাধারণ প্রস্তুতি শেষে অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রেন চালাব।



অন্যদিকে রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেছেন, ট্রেন না চলার কারণে টিকিট রিফান্ড করতে হচ্ছে। এটা সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এখন পর্যন্ত ১৬ কোটি ২৯ লাখ টাকার বেশি টিকিট রিফান্ড করা হয়েছে যাত্রীদের। এ ছাড়া পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে রেলওয়ের মোট ক্ষতি হয়েছে ২২ কোটি ৩ লাখ ৮ হাজার টাকা।


তিনি বলেন, হামলাকারীরা কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসের তিনটি কোচে আগুন দিয়েছে। এ ছাড়া সোনার বাংলা, কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পারাবত এক্সপ্রেসের বিভিন্ন কোচে হামলা করে ভাঙচুর করেছে। বিভিন্ন স্টেশনে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ, সিগন্যাল ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তবে রেললাইন উপড়ে ফেলার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। সারা দেশে কয়েকটি জায়গায় ট্রেনে ও স্টেশনে রাখা বিভিন্ন যন্ত্রাংশে হামলা করা হয়েছে। এ কারণে এখনো ট্রেন চালানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। পরিস্থিতি বুঝে ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


রেলমন্ত্রী বলেন, রেলের ইঞ্জিন ও কোচের সংখ্যা কম। তারপরও রেলওয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই মুহূর্তে ট্রেন পরবর্তী পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে চলাচল করবে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে। রেলওয়ে চাইছে না যে এমন কিছু হোক যাতে আবার আগুনের মধ্যে ঠেলে দিতে হয়। প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করবে রেল চলাচল।



বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে বিসিএসসহ সব ধরনের সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটার প্রচলন ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ ছিল মুক্তিযোদ্ধা কোটা। প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৫৬ জন নিয়োগ দেওয়া হতো কোটাধারী চাকরিপ্রার্থীদের মধ্য থেকে। এটাকে ‘বৈষম্য’ উল্লেখ করে এর নিরসনে বিভিন্ন সময় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। ২০১৮ সালে হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন ঢাকার পাশাপাশি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বিরক্ত হয়ে’ একদিন সংসদে ঘোষণা করেন, যেহেতু কেউ কোটা চায় না সুতরাং এখন থেকে আর কোনো কোটা থাকবে না।


প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণার পর ওই বছরই প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার।


এরপর কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটার আবারও প্রচলন চান। হাইকোর্ট ওই রিট ‘অ্যাবসোলুট’ ঘোষণা করেন এবং ২০১৮ সালে কোটা বাতিল করে জারি করা সরকারি পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলে যায়। আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা জারি করেন। আগামী ৭ আগস্ট এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।


তবে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ২১ জুলাই শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালতের রায়ে কোটা পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করা হয়। একইসঙ্গে সরকারের নীতি নির্ধারণী বিষয় হলেও সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত সরকারি চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধাভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেন। আর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য পাঁচ শতাংশ কোটা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় রায়ে। এ ছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য এক শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য এক শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।


ওই আদেশের আলোকে গত ২৩ জুলাই প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে সব গ্রেডে এখন থেকে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে ৯৩ শতাংশ। বাকি ৭ শতাংশ নিয়োগ হবে কোটার ভিত্তিতে। তবে, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করা হবে।


আরও খবর




"ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা’: প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আলিম

দক্ষিণ চট্টগ্রামে মহাসড়ক যানজট মুক্ত রাখতে পুলিশ সুপারের পরিদর্শন

ভিজিএফ চাল বিতরণ নিয়ে বিতর্ক: বক্তব্য নিয়ে দুঃখ প্রকাশ প্যানেল চেয়ারম্যানের

সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৭ শতাধিক মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

চন্দনাইশে জাহাঁগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফে কাল ৯টায় ঈদুল ফিতরের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে

ফতুল্লায় গৃহবধূ হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী গ্রেপ্তার

লাকসাম উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হলেন ডা. নুর উল্লাহ রায়হান

পোরশায় দুস্থ ও অসহায় জনসাধারণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

পত্নীতলায় নজিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এলামনাই গঠনের লক্ষ্যে র‌্যালী অনুষ্ঠিত

সুবিধাভোগীদের মাঝে ছাগল ও অনুদান বিতরণে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া

ঈদের আনন্দ নয়, বাওয়ালি পরিবারগুলো নীরব কান্নায় দিন পার করছে

নাঙ্গলকোটে হাজী আব্দুস ছাত্তার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

ধুনট বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নবাগত ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী

গৌরীপুরে সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

শ্যামনগরে গৃহবধূ তামিমার মৃত্যু ঘিরে রহস্য,আটক স্বামী

সাংবাদিকতার ন্যূনতম ব্যাকরণ সম্পর্কে নেই ধারণা এরাও পরিচয় দিচ্ছে সাংবাদিক, বিপাকে প্রকৃত সংবাদকর্মীরা

রাজশাহীতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী সভা, দ্রুত ন্যায়বিচারে সামারি ট্রায়ালের ওপর জোর

গুরুদাসপুরে দুই গৃহবধুকে পিটিয়ে জখম

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্টে ভুয়া সাংবাদিকের কারাদণ্ড

রামপালে ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

আল্লাহর নৈকট্যের পথে এক মাসের বিশেষ সফর

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে নতুন প্রিন্সিপালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য, সন্তুষ্ট অভিভাবকরা

কুমিল্লা হতে সংরক্ষিত মহিলা এমপি হতে চান শামীমা আক্তার রুবী,নিজ এলাকাজুড়ে ইতিবাচক সাড়া

বিশ্বদৃষ্টি সম্পাদক সম্মাননা পদক পেলেন মুরাদনগরের শামীমা আক্তার রুবি

কাউন্সিলর থেকে মেয়র পদের দৌড়ে: ভোলা পৌরসভায় আলোচনায় হুমায়ুন কবির সোপান

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে অভিভাবকদের ফ্রি কুরআন শিক্ষার ক্লাস

গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন,লাল সভাপতি ও রিজু সাধারণ সম্পাদক

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড

রামপালে সাংবাদিকের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার, থানায় সাধারণ ডায়েরি


এই সম্পর্কিত আরও খবর

মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

পেট্রোল পাম্পে ‘প্যানিক বায়িং’

গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা, আলোচনায় ইলেকট্রিক বাস

সংসদের মন্দ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

ভরা মৌসুমে সারের মূল্যবৃদ্ধি, বোরো চাষে বিপদসংকেত

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলা সহ্য করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ওয়াসার পানির দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান