
মোরশেদ আলম, চকরিয়া: কক্সবাজারের চকরিয়া থানা এলাকায় চিংড়ি ঘের ও মাছের প্রজেক্টকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় চিংড়ি ঘেরে আধিপত্য বিস্তারকারী চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চকরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মৎস্য খাতকে নিরাপদ রাখতে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন চিংড়ি ঘের ও মাছের প্রজেক্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— সাইফুল ইসলাম ওরফে পুতিয়া (৪৫), রমজান আলী (৩৫), নাসির উদ্দিন (৬০), ছোটন মাহমুদ (২৮) এবং জমির উদ্দিন বাবুল (৪২)। তারা সবাই চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা। তবে ডুলহাজারা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও যুবদল নেতা রমজান আলীর বিরুদ্ধে হত্যা সহ একাধিক মামলা থাকার পরেও সকালে আটক করে বিকালে জামিনে মুক্ত হওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চিংড়ি ঘের দখল, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। স্থানীয় মৎস্যচাষীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোছাইন জানান, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা রপ্তানিমুখী ‘হোয়াইট গোল্ড’ খ্যাত চিংড়ি শিল্পকে সুরক্ষিত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রকৃত মৎস্যচাষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে। বর্তমানে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




























