
ইব্রাহিম সুজন, স্টাফ রিপোর্টার
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের নির্বাচনী গণসংযোগে ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে।
কিশোরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সংলগ্ন মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড এলাকায় বুধবার দিনভর চলা এই গণসংযোগে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, চালক ও সাধারণ পথচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
গণসংযোগকালে প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন। উপস্থিত জনতার উচ্ছ্বাস ও সরব সমর্থন সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ আসনে পরিবর্তনের প্রত্যাশাকে আরও দৃশ্যমান করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা জানান, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশ, নিরাপদ জনপদ এবং টেকসই উন্নয়নের প্রত্যাশা থেকেই তারা লাঙ্গল প্রতীকের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছেন। তাঁদের মতে, সুশাসন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও জনবান্ধব নেতৃত্বের বিকল্প নেই।
গণসংযোগে অংশ নেওয়া সমর্থকরাও তাঁদের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডের ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, “এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার অভাব ছিল। সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক মানুষের পাশে থাকেন, তাই আমরা লাঙ্গল প্রতীকেই ভরসা রাখছি।”
পরিবহন শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম বলেন,
“চাঁদাবাজি আর মাদকের কারণে আমরা সবচেয়ে বেশি ভুগেছি। লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এই সমস্যাগুলো দূর করার কথা স্পষ্টভাবে বলেছেন—এটাই আমাদের সমর্থনের মূল কারণ।”
একজন মাইক্রোবাস চালক মনির হোসেন জানান, “তিনি আমাদের কথা শোনেন, কুশল বিনিময় করেন। এমন প্রার্থীই আমাদের প্রয়োজন, যিনি সাধারণ মানুষের কষ্ট বোঝেন।”
স্থানীয় তরুণ ভোটার শাকিল আহমেদ বলেন,
“আমরা পরিবর্তন চাই। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান আর নিরাপদ সমাজ গড়তে লাঙ্গল প্রতীকই সবচেয়ে যোগ্য বলে মনে করি।”
গণসংযোগ শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন, সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই তাঁর রাজনীতির মূল প্রেরণা। তিনি একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও উন্নয়নবান্ধব জনপদ গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রতি জনসমর্থনের এই উত্থান নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




























