
ফারুক আহমেদ, মনোহরদী প্রতিনিধি নরসিংদীর মনোহরদীতে চুরি হচ্ছে একের পর এক মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক। গেল এক মাসে এই উপজেলাতে চুরি হয়েছে অমানুমানিক ১৫ টিরও অধিক মোটরসাইকেল। এসব মোটরসাইকেল চোরদের সনাক্ত করতে এবং চোরচক্রের কাউকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ। উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার বাইক চুরি হওয়ায় আতঙ্কে আছে উপজেলার বাইকচালকরা।
জানা গেছে, গেল মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় আনুমানিক ১৫টির অধিক মোটরসাইকেল ও বেশ কিছু ইজিবাইক চুরি হয়েছে। সম্প্রতি মনোহরদী উপজেলায় দেখা দিয়েছে মটরসাইকেল ও ইজিবাইক চুরির প্রবণতা। প্রতিনিয়ত রাত ও দিনের বেলায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক চুরি হচ্ছে মটরসাইকেল ও ইজিবাইক ।
উপজেলা পরিষদ, মনোহরদী বাজারসহ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ও রাতে পুলিশ পেট্রল থাকার পরও একের পর এক বাইক চুরি হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো উপজেলাজুড়ে।
জানা যায়, গত ২১শে এপ্রিল রাতে মনোহরদী উপজেলার পৌর এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল আলমের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়। এর আগের দিন একই এলাকার এক সরকারি কর্মকর্তার বাড়ির গেটের তালা কেটে নিয়ে যায় আরও একটি মটরসাইকেল।
এছাড়াও ঈদুল ফিতরের কিছু দিন আগে পৌর এলাকার ওমর ফারুক নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে মটর সাইকেল ও মোবাইল ফোন চুরি হয়। চুরি যাওয়া মটর সাইকেল ও মোবাইল ফোন ফিরে পেতে থানায় অভিযোগ করলেও চুরি যাওয়া জিনিস উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
এছাড়া জানা যায়, গত সপ্তাহে চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের মৌলভীবাজার নামক স্থানে মসজিদে সামনে মটরসাইকেল রেখে পস্রাব করতে জান এক পথচারী, এসে দেখে তার মটরসাইকেলটি নেই। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে চোর চক্রের সদস্যরা চুরি করে নিয়ে যায় এ মটরসাইকেলটি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা জানান, থানায় অভিযোগ করে কোন লাভ নেই। প্রশাসন এই বিষয় গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখেনা। যার ফলে ইদানীং মনোহরদীতে চুরের উপদ্রব বেড়েই চলছে।
এছাড়াও গত কয়েকদিনের ভিতর উপজেলার শুকুন্দী, লেবুতলা,কাচিকাটা ও চন্দনবাড়িসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মটর সাইকেল চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে মনোহরদী থানার (ওসি তদন্ত) গোবিন্দ সরকার বলেন,চুরির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি।এরই মাঝে আমরা কৃষ্ণপুর ও খিদিরপুর থেকে দু,জন চোর ধরে জেল হাজতে পাঠিয়েছি।আমাদের পুলিশ তৎপর রয়েছে। আমাদের নিয়মিত অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।যে কোন কাজে আমাদের আন্তরিকতার কোন অভাব নেই।





























