
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক রায় ঘোষণার পর সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য নাশকতা, উসকানি বা আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনীর বিশেষ টহল চালাচ্ছে।
জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, টহলের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাধারণ মানুষের জান–মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং গুজব–উসকানি দমন করা।
ঢাকা–চট্টগ্রাম ও ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়, ফ্লাইওভার, টোলপ্লাজা ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বসানো হয়েছে চেকপোস্ট ও মোবাইল টিম। ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত টহলের পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ শহরের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ, সরকারি দপ্তর, আদালত এলাকা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বড় বাজার ও শিল্পাঞ্চলগুলোতেও বিশেষ নজরদারি চলছে। জনসমাগম বেশি হয় এমন এলাকা—চাষাঢ়া, দেওভোগ, বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লায় রয়েছে র্যাব–পুলিশের যৌথ টহল।
যে কোনো পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে মাঠে রয়েছেন। গুজব ছড়ানো, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা বা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন জানায়, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় আছে।





























