
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন।
জেলা প্রশাসক সভায় বলেন, “আমি সর্বদা আপনার পাশে আছি। আপনারা যেকোনো সমস্যা নিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। নিহত পরিবারের জন্য মানসিক কাউন্সেলিং ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ভাবা যেতে পারে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তাই প্রশাসন সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে।”
শহীদ পরিবারের সদস্যরা ফাঁসির রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, “আমরা চাই শহীদদের কবরগুলো স্মরণীয়ভাবে সংরক্ষিত হোক। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে স্মৃতি ফলক স্থাপন করা হোক। মামলার কাজ দ্রুত শেষ হোক এবং কোনো দোষী যেন মুক্তি না পায়।”
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “শহীদদের এই মহৎ আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়—সেজন্য প্রশাসনসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আপনারা যেকোনো প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের সহায়তা অব্যাহত পাবেন।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আলমগীর হুসাইন, এনডিসি তরিকুল ইসলাম, শহীদ আদিলের পিতা আবুল কালাম, শহীদ আরমানের স্ত্রী সাবিনা, শহীদ পারভেজের পিতা শহীদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সদস্য সচিব জাবেদ আলম, মহানগর আহ্বায়ক মাহফুজ খান'সহ শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ।





























