
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয়জন সমন্বয়ক এক ভিডিও বার্তায় সব কর্মসূচি প্রত্যাহারের যে ঘোষণা দিয়েছেন তা জোর করে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে।
এমন বাস্তবতায় সোমবার ( ২৯ জুলাই) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়কের সঙ্গে দেখা করেন তাদের স্বজনরা। এরপর তারা সাংবাদিকদের জানান, ছয় সমন্বয়ক স্বেচ্ছায় বিবৃতি দিয়েছেন, জোর করে বিবৃতি নেয়া হয়নি।
রোববার (২৮ জুলাই) রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হেফাজত থেকে এক ভিডিও বার্তায় সব ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন ছয় সমন্বয়ক। ওই ভিডিও বার্তায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করতে দেখা যায়। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘আমাদের প্রধান দাবি ছিল কোটার যৌক্তিক সংস্কার। এটি সরকার ইতোমধ্যে পূরণ করেছে। এখন শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাই। সার্বিক স্বার্থে আমরা এই মুহূর্ত থেকে আমাদের সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করছি।’
গত শুক্রবার (২৬ জুলাই) নিরাপত্তার কথা বলে আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদারকে হাসপাতাল থেকে মিন্টো রেডের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। পরে শনিবার (২৭ জুলাই) সারজিস, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও নুসরাত তাবাসসুমকেও ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়।







































