
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক বনায়ন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘গ্রিন রুটস: কমিউনিটি লেড অ্যাফরেস্টেশন ফর ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স’ প্রকল্পের প্রারম্ভিক সভা (ইনসেপশন মিটিং) ও ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, শরণখোলা এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের ম্যানেজার ক্যারল সুশ্রী। সভা সঞ্চালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার সমর হালদার।
পূবালী ব্যাংক পিএলসি'র অর্থায়নে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বাস্তবায়নে পরিচালিত এ প্রকল্পের মাধ্যমে খোন্তাকাটা ইউনিয়নে জনগণের নেতৃত্বে ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ ও সেগুলোর পরিচর্যার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শিশির কুমার দাশ, পূবালী ব্যাংক পিএলসি খুলনা রিজিয়নের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ও রিজিওনাল ম্যানেজার এস. কে. মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাগেরহাট শাখার সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ মনিরুল আমিন।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও তার সঠিক পরিচর্যার বিকল্প নেই। বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং সংরক্ষণের মাধ্যমে পরিবেশ সবুজ হবে, সামাজিক বনায়ন সম্প্রসারিত হবে এবং মানুষ বিশুদ্ধ অক্সিজেনসহ নানা পরিবেশগত সুফল ভোগ করতে পারবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তুহিন মিত্র, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার আগস্টিন মিস্ত্রি, প্রোগ্রাম অফিসার মানিক হালদার, উপকারভোগী, স্থানীয় স্টেকহোল্ডার ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সভা শেষে অতিথিরা মঠেরপাড়া, রাজৈর ও খোন্তাকাটা গ্রামের ৪০০টি পরিবারের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করেন। পাশাপাশি খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে প্রতীকী বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এলাকায় সবুজায়ন বৃদ্ধি পাবে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে।




























