
মোঃ আল আমিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিকিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্মোঃ আল আমিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিবাড়ির সামনে দিয়ে নদীর রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলেই সড়কটি কাদায় পিচ্ছিল হয়ে যায়, সৃষ্টি হয় অসংখ্য গর্ত। কোথাও কোথাও রাস্তা নিচু হয়ে পানি জমে থাকে। ফলে প্রতিদিনের চলাচল যেমন দুর্ভোগের, তেমনি কৃষিপণ্য পরিবহনও হয়ে পড়েছে চরম ভোগান্তির।স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তার বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে অনেক স্থানে হেঁটেও চলাচল করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। অনেক সময় যানবাহন কাদায় আটকে যায় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাস্তার দুই পাশজুড়ে বিস্তীর্ণ সবজি আবাদি জমি রয়েছে। এখানে সারা বছর লাউ, শসা, করলা, বেগুন, মরিচ, পেঁপেসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদিত হয়। কটিয়াদী উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সবজি উৎপাদন এলাকা হিসেবে পরিচিত এই মাঠ থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন বাজারে কৃষিপণ্য সরবরাহ করা হয়।কৃষকদের অভিযোগ, সড়কটি ভালো না থাকায় সময়মতো সবজি বাজারে পৌঁছানো যায় না। পরিবহন ব্যয়ও বেড়ে যায়। অনেক সময় কাঁচা সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হতে হয়। তারা বলেন, একটি পাকা সড়ক নির্মাণ করা হলে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি শুধু কৃষকদের জন্য নয়, সাধারণ মানুষেরও যোগাযোগের কানেকশন রোড হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। তাই দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানার জন্য তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।





























