
শাহিন মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি:
সিলেটের বুক চিরে বয়ে চলা সুরমা নদীর ওপর দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নগর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন ঐতিহাসিক কিংব্রিজ। আর এর পাশেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে শতবর্ষী আলী আমজদের ঘড়িঘর। সময়ের পরিক্রমায় এই দুটি স্থাপনা সিলেটের পরিচয়, গৌরব ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য পর্যটক ও দর্শনার্থী এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো দেখতে সিলেটে ছুটে আসেন। কেউ ইতিহাস জানতে, কেউ ছবি তুলতে, আবার কেউ সুরমা নদীর মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে সময় কাটান।
কিংব্রিজের নির্মাণ ও ইতিহাস
সিলেট নগরীর অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা কিংব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৩৩ সালে। ১৯৩৬ সালে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তৎকালীন আসামের গভর্নর স্যার মাইকেল কিনের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয় কিংব্রিজ। প্রায় ১ হাজার ১৫০ ফুট দীর্ঘ এই সেতু দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সেতুটির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তী সময়ে সংস্কারের মাধ্যমে সেতুটি আবারও ব্যবহারের উপযোগী করা হয়।
যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, ২০২৫ সালে নতুন সিদ্ধান্ত সেতুটির কাঠামোগত নিরাপত্তা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট মধ্যরাত থেকে কিংব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ে বিধিনিষেধ পরিবর্তন করা হয়।
২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কিংব্রিজে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধসহ হকার উচ্ছেদ করে সেতুটি পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখার পরিকল্পনার কথা জানান তৎকালীন জেলা প্রশাসক।



























