
মোঃ আশিকুর রহমান আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :-
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর উপ শাখা, কুশিয়ারা ও কুদালিয়া নদী জলসুখা গ্রামের
বুক চিরে বয়ে গেছে, এক সময়ে উপজেলার যোগাযোগ অবলম্বন ছিল এই নদী, কিন্তু এখন নদী শুকিয়ে পানি সংকটে হাওরাঞ্চলে কুশিয়ারা ও কুদালিয়া নদী দীর্ঘকাল খনন না করায় নাব্য সংকট তীব্র হয়েছে, যার ফলে বর্ষা শুরুর আগেই জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে হাজার হাজার কৃষক বিপাকে পড়েছেন । পলি জমে নদী ভরাট ও অপরিকল্পিত অবকাঠামোর কারণে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ফসলি জমি অনাবাদি থাকছে, যা কৃষি উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে ।কুশিয়ারা ও কুদালিয়া নদী ভরাট হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই নদী তীরবর্তী আবাদি জমিতে পানি জমে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে । হাওরাঞ্চলের জমি চাষের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ায় মৌসুমি ফসল রোপণে বিলম্ব হচ্ছে, এতে কৃষকের স্বপ্ন ও জীবিকা হুমকির মুখে । সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার জলসুখা কৃষকেরা স্বপ্ন বাচাতে নিজেরাই নেমে পড়লেন শুকিয়ে যাওয়া নদীর বুকে খাল খননে,শাখা কুশিয়ারা নদীর খানিকটা অংশ স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে ৩০শে মার্চ রোজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত প্রায়৫০-৬০ জন কৃষক খাল খনন করে দেন জলসুখা ব্রিজের কাছে।কৃষকরা জানান,শাখা কুশিয়ারা নদীটির কুদাইল্যা নামক স্থান থেকে জলসুখা বাজার পর্যন্ত নদীটি শুকিয়ে গেছে।এখানে ছেলেরা ফুটবল খেলতে পারে।বাকী কিছু অংশে কিছু পানি থাকলে ও পানি জমে ধানী জমি তলিয়ে যায়।দুটো সমস্যার কারণে কৃষক ঘরে ধান তোলতে পারেন না।হেমন্তকালে নদীটা শুকিয়ে যায়।ফলে জলসুখা, বিরাট, নোয়াগড় গ্রামের শত শত একর বোরধানী জমি পানি পায় না।আবার সময়ে পানি নদীর কিছু অংশ থেকে নিস্কাশন হয় না।
স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত কুশিয়ারা ও কুদালিয়া নদী নিয়মিত খনন করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া স্থায়ী ও টেকসই পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি তুলেছেন ।



























