
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যারা স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনার চেষ্টা করতেন, সুপ্রিম কোর্টের সহায়তায় তাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বদলির মাধ্যমে কার্যত শাস্তি দেওয়া হতো।’’
আজ (বৃহস্পতিবার) সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব বলেন।
শাহজাহান চৌধুরী লিখিত প্রশ্নে বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ হতে সম্পূর্ণ স্বাধীন করবার ক্ষেত্রে কী কী আইনি বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ছিল এবং সেই সময়ে নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি ও নিয়োগের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপের যে অভিযোগ ছিল, সেই ব্যাপারে বর্তমান সরকারের মূল্যায়ন কী?
জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘‘বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ছিল না। তবে, ফ্যাসিস্ট সরকার বিচারকদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্যকে মুখ্য মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে দলের প্রতি অনুগত বিচারকদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করতো এবং যারা স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনার চেষ্টা করতেন, সুপ্রিম কোর্টের সহায়তায় তাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বদলির মাধ্যমে কার্যত শাস্তি দেওয়া হতো।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার সেই পথ ধরে না হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সততা, দক্ষতা এবং বিচারকদের বিচারিক আচরণই হবে মানদণ্ড। সে লক্ষ্যেই আইন মন্ত্রণালয় সুপ্রিম কোর্টে সুপারিশ করবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের। সরকারের এ ক্ষেত্রে একক ক্ষমতা নেই।’’




























