
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী জরুন ৭ নং ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক বাবা নাসির উদ্দিন পালোয়ানের মৃত্যুর দুই মাস পর না ফেরার দেশে পারি জমালেন পরিবারের বড় ছেলে হাজী আক্তার পালোয়ান। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল (৬০) বছর। তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
তিনি মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৭ টা ৪০ মিনিটের সময় রাজধানীর উত্তরা ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। চিকিৎসকের বরাদ দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ছোট ভাই মোঃ শাহ আলম পালোয়ান। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী, এক ছেলে,এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণরাজি ও আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
এর আগে তিনি রবিবার (৩১ আগস্ট) রাত ৮ টার সময় ব্রেন স্ট্রোক করলে প্রথমে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর উত্তরা ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) ভর্তি করা হয় এবং লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৭ টার ৪০ মিনিটের সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার সকাল ১১ টার সময় মহানগরীর জরুন পেয়ারা বাগান এলাকায় ফুটবল খেলার মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এর পর পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশেই তাকে দাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানাযায় গত ২৭ মে রাত সাড়ে ১১ টার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাং সদস্যরা ৯০ বছর বয়সের বৃদ্ধ নাসির উদ্দিন পালোয়ানকে কুপিয়ে মাথা ১৮ খন্ড করে। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত (২ জুলাই) রাতে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবারের আরও ৭ সদস্যকে বেধড়ক মারপিট করে কিশোর গ্যাং সদস্যরা। ওই ঘটনায় নাসির উদ্দিন পালোয়ানের বড় ছেলে আক্তার পালোয়ানও মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হন। পরে দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক হলেও পিতার মৃত্যুর শোক ভুলতে পারেননি তিনি।
স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,আক্তার পালোয়ান তার বাবার মৃত্যুর পর থেকেই সব সময় মন খারাপ করে থাকতেন। আমাদের সাথে কথা বলতেই তার বাবার কথা মনে করে হাউমাউ করে কেঁদে উঠতেন। তিনি বলেন, মূলত পিতা হারানোর শোক সইতে না পেরে তিনি স্ট্রোক করেন। এছাড়াও কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় তিনি মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়েছিলেন।





























