
আবুল কালাম আজাদ বরুড়াঃ-
কুমিল্লার বরুড়ায় গত১৭ মার্চ (রোজ রবিবার) সকাল ১০টায় বরুড়া উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধু মুরালে পুষ্প স্তবক অর্পণ করে পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূ-এমং মারমা মং এর
সভাপতিত্ত্বে আলোচনা সভা ও পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ এন এম মইনুল ইসলাম, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া পৌর মেয়র বখতিয়ার হোসেন (বখতিয়ার)
বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন
চৌধুরী, বরুড়ার ডি,জি,এম জালাল উদ্দীন
এলজিআরডি কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নাছিমা আক্তার আরো উপস্থিত ছিলেন
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাসার, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবারক হোসেন এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলার বিভিন্ন দাপ্তরিক কর্মকর্তা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এ এন এম মইনুল ইসলাম বক্তব্যে যা বলেন বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন আজকের শিশুরাই আগামী পৃথিবীর কর্নধার। তিনি শিশুদের অনেক ভালোবাসতেন এবং শিশুদের সার্বিক মানোন্নয়নে যে কোন প্রকারর কর্মসূচি গ্রহনে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতেন। শিশুরা যেনো সৃজনশীল মুক্ত মনের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে, তিনি সবসময় সেটা চাইতেন। দূর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপরিবারে নিহত হন। সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশ থাকায় প্রানে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন বাংলাদেশের শিশুরা শিক্ষা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত/তাই ১৯৯৭ সাল থেকে জাতির পিতার জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৭ই মার্চ এমন এক নেতার জন্মদিন, যার জন্ম নাহলে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হতো না। গভীর দেশপ্রেম, সীমাহীন আত্মত্যাগ ও অতুলনীয় নেতৃত্বে তিনি হয়ে উঠেন বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা। বাংলার শোষিত, বঞ্চিত নিপিড়ীত জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে নেতৃত্বের জন্য জনগণ তাঁকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে। স্কুলে ছাত্র থাকা কালীন তিনি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতেন। সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষের দায়িত্ব নেয়ার মতো গুন শক্তভাবেই ধারন করেছিলেন সেই শৈশবেই। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২২শে জুন শিশুদের কল্যানে জাতীয় শিশু আইন জারি করেন। এই আইনের মাধ্যমে শিশুদের অধিকারের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। সব ধরনের অবহেলা শোষণ নিষ্ঠুরতা নির্যাতন ইত্যাদি থেকে নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় ও অবহেলিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এবং শিশুদের অধিকার রক্ষায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অগ্রগতির জন্য আমাদের সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধু শিশুদের খুব আদর করতেন, ভালোবাসতেন, শিশুদের সাথে গল্প করতেন খেলা করতেন, তিনি বিশ্বাস করতেন আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশ গড়ার নেতৃত্ব দিবে। তরুন প্রজন্ম এই মহান নেতার আদর্শ থেকেই দেশ গড়ার অনুপ্রেরণা লাভ করবে।
যারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে তাদের মাঝেই বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন জন্ম থেকে জন্মান্তর। প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠুক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে।







































