
জাতীয় সংসদ ভবন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর স্থাপনা, উপাসনালয় ও জনসমাগমস্থলে হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সিটিটিসির তথ্যের ভিত্তিতে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির সিটিটিসি বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দিন। নিরাপত্তা জোরদারে সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।
ডিএমপির (মতিঝিল বিভাগ) উপ–কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, ‘কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রটেকশন বিভাগ কাজ করে। তারা চাইলে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা মোকাবিলায় যেকোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোয় হামলার আশঙ্কা নিয়ে সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করে গত ২৩ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের বিভিন্ন সিটিটিসি ইউনিটে সতর্কতামূলক নির্দেশনার একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। নিষিদ্ধঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্যের সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের যোগাযোগের তথ্য পাওয়ার পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদের (যিনি সামী, আবু বক্কর ও আবু মোহাম্মদ নামেও পরিচিত) সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের কর্মকাণ্ড দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে পুলিশ।
পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য বা স্থাপনা, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র, শাহবাগ চত্বরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা বিস্ফোরণ বা ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগারে হামলার পরিকল্পনাও তারা নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নজরদারি বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।







































