
ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ও তার পরিবারের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)। একই সঙ্গে বিদেশে তার অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এ বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে।
সোমবার দেশের সব ব্যাংকে চিঠি দিয়ে সাবেক ডিবিপ্রধান ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে নির্দেশ দিয়েছে সিআইসি।
হারুন ছাড়াও তার পিতা-মাতা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে বা বোনের যৌথ নামে অথবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের তথ্যও তলব করেছে সিআইসি। এর আগে হারুন ও তার পরিবারের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছিল বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
সিআইসির এক কর্মকর্তা বলেন, ডিবির হারুনের কর ফাঁকির বিষয়টি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর। তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি দুদক অনুসন্ধান করেছে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডিবি হারুনের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। সেদিনই উপ-পরিচালক জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এরপর ২০ আগস্ট হারুনের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে তথ্য চেয়ে ইসি, পাসপোর্ট, ব্যাংক, রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন দফতরে চিঠি দেয় দুদক।
সোমবার দুদকের এক উপ-পরিচালক বলেন, এরই মধ্যে হারুনের ব্যাপারে বেশ কিছু তথ্য আমরা পেয়েছি। জানতে পেরেছি, দেশের পাশাপাশি বিদেশেও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এই কর্মকর্তা। আমরা সেসব সম্পদের তথ্য অনুসন্ধান করছি।
দুদক জানায়, পুলিশের এই প্রভাবশালী কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঢাকাসহ সারাদেশে হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এছাড়া অর্থপাচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার ও সিঙ্গাপুরেও অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।







































