
মোঃ কাওছার আহমেদ গাইবান্ধা:
নদীবেষ্টিত জেলা গাইবান্ধায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে ডুবুরি না থাকায় যেকোনো নদী দুর্ঘটনায় উদ্ধার কার্যক্রমে বিলম্ব হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, আর জরুরি পরিস্থিতিতে নির্ভর করতে হচ্ছে রংপুর ইউনিটের ওপর।
গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান জানান, রংপুর বিভাগের আটটি জেলার মধ্যে নদীসংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটলে রংপুর থেকেই ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। গাইবান্ধায় নিজস্ব ডুবুরি ইউনিট না থাকায় দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হয় না।
তিনি বলেন, “নদী দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ডুবুরি না থাকায় আমাদের রংপুর থেকে দল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যা উদ্ধার কার্যক্রমকে বিলম্বিত করে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান এ পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে বলেন, “গাইবান্ধা নদীবেষ্টিত এলাকা। এখানে প্রায়ই নৌকা ডুবি বা পানিতে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটে। কিন্তু ডুবুরি না থাকায় অনেক সময় জীবিত উদ্ধার সম্ভব হয় না। এটি জননিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি।
স্থানীয় বাসিন্দারাও একই ধরনের অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, নদীপথে চলাচল এবং জীবিকার কারণে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে থাকতে হয়। কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক উদ্ধার ব্যবস্থার অভাবে হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
তারা দ্রুত গাইবান্ধায় একটি স্থায়ী ডুবুরি ইউনিট স্থাপনের দাবি জানান। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীপ্রধান জেলাগুলোতে আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল গড়ে তোলা হলে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।



























