
গাজায় ইসরাইলি হামলা ও গণহত্যা বন্ধের প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে শিক্ষার্থীরাসহ সর্বস্তরের জনগণ। প্রতিবাদে আজ (সোমবার, ৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ থেকে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় হাতে নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড পতাকা নিয়ে নানা স্লোগানে দিতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতি উদ্যোগ নেয়ার দাবিও জানান আন্দোলনকারীরা। এছাড়া ইসরাইলি পণ্য বয়কটের দাবিও জানান। এদিকে ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলা ও গণহত্যা বন্ধের প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাসহ সর্বস্তরের জনগণ।
নীলফামারীতে ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলার আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণ।
এছাড়া ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলা ও গণহত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রামেও নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।
গাজায় ইসরায়েলের নৃশংসতা ও গণহত্যার প্রতিবাদে সারা দেশের মতো ময়মনসিংহের টাউন হলে বিক্ষোভ করছে ময়মনসিংহের সর্বস্তরের জনগণ।
এদিকে চোখের সামনে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে গাজা উপত্যকা। ভয়াবহ এমন পরিস্থিতি দেখেও টনক নড়ছে না মুসলিম বিশ্বের। এদিকে, গাজাকে শেষ করার মিশনে নেমেছে ইসরাইল। এতে ইন্ধন জোগাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নেতারা। উপত্যকার ৯০ শতাংশ মানুষ এরইমধ্যে তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে। যারা বেঁচে আছে তারাও তীব্র খাদ্য সংকট ও বোমার আতঙ্কে দিন পার করছে।
মাত্র দেড় বছরে গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরাইলি বাহিনী। ঘরবাড়ি হারিয়েছে প্রায় ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি। যা উপত্যকার মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ। মাত্র ৩ সপ্তাহের ব্যবধানে হত্যা করা হয় হাজারের ওপর ফিলিস্তিনিকে। এ নিয়ে গাজায় প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজারের ওপর।







































