
গোসাইরহাট(শরীয়তপুর)প্রতিনিধি।
মোহাম্মদ হাসান আলী
শরীয়তপুর গোসাইরহাটে বাক প্রতিবন্ধী শিশু(১৬)কে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। পরে শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষণকারী ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে স্থানীয় শালিসগন।সোমবার সকাল ৯টা পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ডের খোদেরজঙ্গল গ্রামে শিশুটিকে একা পেয়ে এমরান ভাবুর্চী (৪০) শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষক এমরান নলমুড়ি ইউনিয়নের চরমনপুরা গ্রামের রুস্তম ভাবুর্চীর ছেলে। এমরান পেশায় ভ্যান চালক।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে এমরান তার আত্মীয়র বাড়িতে আসে সেইসুবাদে ঐ প্রতিবন্ধির ঘরে যায় এসময় শিশুটির দাদী রান্নাঘরে এবং তার ছোট ভাই মাদ্রাসায় থাকায় শিশুটিকে একা পেয়ে এমরান তার গায়ের জামা কাপড় খুলে তাকে ধর্ষন করে। এসময় তার দাদী ঘরে আসলে ধর্ষনরত অবস্থায় এমরানকে দেখতে পায়। এ সময় এমরান দ্রুত পালিয়ে যায়। ঐসময় দাদী শিশুটির বাবাকে বিষয়টি জানায়।
পরে ধর্ষণের ঘটনাটি শিশুটির বাবা ও দাদী কাউকে না বলে ধর্ষক এমরানের এলাকা নলমুড়ি ইউনিয়নের চরমনপুরা গ্রামে স্থানীয় মেম্বার সালাউদ্দিন কে জানায়, সালাউদ্দিন ধর্ষক এমরান ভাবুর্চির বাড়িতে যায় পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ধর্ষক এমরানের পিতা রুস্তম ভাবুর্চি কতৃক স্থানীয় শালিস কারক আব্দুল হাই ফকির,রফিক ফকির,আক্তার বেপারী ও মোবারক চৌকিদার, বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। এরপরে শালিসগনের উপস্থিতে লিপি আক্তার ও সালাউদ্দীন নামের দুইজনের স্বাক্ষী হিসেবে রেখে শিশুটির বাবার কাছে সাদা কাগজে একটি স্বাক্ষর রাখা হয়।
ধর্ষণের ঘটনাটি থানা পুলিশের নজরে আসলে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতার উদঘাটনের জন্য গোসাইরহাট থানা ওসির নির্দশনায় হাটুরিয়া ফাড়ির পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠায়।
গোসাইরহাট থানার ওসি মো.মাকসুদ আলম বলেন, ‘শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা অভিযোগের ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার কতৃক থানায় মামলার পক্রিয়া চলছে।ভিকটিমের মেডিকেল চেকআপের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।





























