
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ আজ সোমবার সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নামার অনুমতি পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া বিএনপির পক্ষে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়া লন্ডনে যেতে পারবেন কি না, সেটি পুরোই নির্ভর করছে তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপর।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লন্ডন নিয়ে যেতে ভাড়া করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার অনুমতি পেয়েছে। তবে তাঁর যাত্রা নির্ভর করছে শারীরিক অবস্থার ওপর।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ আজ সোমবার সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নামার অনুমতি পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া বিএনপির পক্ষে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়া লন্ডনে যেতে পারবেন কি না, সেটি পুরোই নির্ভর করছে তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপর।
এরআগে গতকাল রোববার বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর ভিত্তি করেই তাঁকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আনা হবে। তিনি জানান, আপাতত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রার মতো পরিস্থিতি খালেদা জিয়ার নেই।
এনামুল হক চৌধুরী রোববার সকালে আরও জানান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দীর্ঘক্ষণ যাত্রার জন্য শারীরিক অবস্থার উন্নতিতে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত পেলেই বিএনপি চেয়ারপারসনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে নেওয়া হবে।
গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। এরপর, শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। পরে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে লন্ডন যাত্রার তারিখ পিছিয়ে দেয় বিএনপি।
এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশে এসেছেন যুক্তরাজ্য এবং চীন থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল। তাঁকে যুক্তরাজ্যে নিয়ে যেতে লন্ডন থেকে দেশে এসেছেন তার পুত্রবধূ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান।







































