
------------------প্রধানমন্ত্রী জুবেল আহমদ সেকেল, সিলেট নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ক্রীড়াবিদ তৈরি করবে বাংলাদেশ। ক্রীড়ার মাধ্যমে সারা দেশকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরবে আজকের শিশুরা। আজকের একেকজন শিশু আগামী দিনে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হবে। আজকের শিশুরাই আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই শিশুদের মধ্য থেকে আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। গতকাল শনিবার (২ মে) সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টায় উদ্বোধন সারা দেশজুড়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সবাইকে পড়ালেখা করতেই হবে, পড়ালেখায় কাউকে মাফ করা যাবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রত্যেককে খেলতে হবে। নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে। তোমাদের ঠিক করে নিতে হবে, তুমি কী হতে চাও। লক্ষ্যকে স্থির করে নিতে পারলে সেই লক্ষ্য পূরণে সামনের দিকে এগোতে হবে। শিশু কিশোরদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, সরকার থেকে আমরা আমাদের সামর্থ দিয়ে ছোট্টবন্ধুদের পাশে আছি। তা হোক লেখাপড়া বা খেলাধুলার। তোমরা যারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, খেলোয়াড়, গায়ক, মিউজিশিয়ান- যে যা হতে চাও সরকার তোমাদের সহযোগীতা করবেঅ।। যে গান শিখতে চায়, সে গান শিখবে যে মিউজিশিয়ান হতে চায়, সে মিউজিশিয়ান হবে, সেই ব্যবস্থা আমরা করবো।প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে একটি ছোট গল্পে বলেন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিষয়য়ে সাড়ে চার বছর পূর্বে বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে (প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক) এর সাথে শিশুদেরকে নিয়ে দেশে এই স্পোর্সের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত হয়। আর এই আলোকেই আজ সারাদেশজুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করা হলো। বক্তৃতাপর্ব শেষে অনলাইনের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর লগো ও ট্রফি উন্মোচন করেন। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন কুঁড়ির। বাংলাদেশ টেলিভিশনের আশির দশকের জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক প্রতিভা উঠে এসেছে শিল্প অঙ্গনে। এরই ধারাবাহিকতায় এই ানুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সাংসদ শাম্মি আখতারসহ সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এর আগে, সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গনে সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পানির যথাযথ ব্যবহারের জন্য খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। অতিবৃষ্টিতে যেনো জলাবদ্ধতা তেরি না হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখা সম্ভব হয়, সেজন্য এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দেশে চিকিৎসাসেবায় অপ্রতুলতা রয়েছে এবং উন্নত দেশগুলোর মতো সেবা নিশ্চিত করাও সম্ভব নয়। তাই রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। এ জন্য এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যাদের ৮০ শতাংশই (৮০ হাজার) নারী হবেন। এসব স্বাস্থ্যকর্মী গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের বাড়িতে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বাড়াবেন এবং খাদ্যাভ্যাস ও রোগের সম্পর্ক সম্পর্কে ধারণা দেবেন। সুধী সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে নগরের চাঁদনিঘাটে বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও বাসিয়া নদীর খকন কাজের উদ্বোধন করেন।




























