
শাহিন মিয়া (অষ্টগ্রাম )
সব সাধকের বড় সাধক, আমার দেশের চাষা ।
দেশ মাতারি মুক্তি কামী দেশের সে যে আশা ।
আজ সেই কৃষকের আশা অতিবৃষ্টির কারনে পানির নিচে ।
দীর্ঘ ছয় মাস সাধনার ফসল এই সোনালী ধান, কৃষক ঘরে তুলে সারাদেশের মানুষের মুখে তুলে দিত দু-মুঠো ভাত, আজ সেই কৃষক যখন বলে হে খোদা আমি খামু কি ?
এক কৃষকের বুক ফাটা আর্তনাত ও নীরব কান্নায় যখন বলে, যদি মাটি ফেটে দু-ভাগ হয়ে যেত আমি কৃষক ঐ মাটি ফাটার ভিতর পরে মরে যেতাম তাও ভাল হতো! ঐ কথা শুনে মনে হলো বাংলাদেশে প্রতিটা মানুষের জীবন বাঁচাতে কৃষকের পাশে ঢাল হয়ে দাড়ানো উচিত।
হাওর়ের শত শত একর জমি আজ পানির নিচে, অর্ধেক ও কাটা হয়নি ।আজ জেলা প্রশাসক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে,হাওর পরিদর্শন করতে আসেন ।
তিনি বলেন,প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হাওরের পরিস্থিতির অবস্থা বেহাল।
এখানে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টুল ব্যবহার করে টাকা নেওয়া যাবে না দশ দিন পর্যন্ত।
কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,আপনাদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আমরা আপনাদের পাশে থাকব কারণ কৃষক না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না।
আগামীতে ধান শুকানোর জন্য আমরা খলা তৈরি করে দিব পাকা করে।
এবং ধান ভাঙ্গানোর জন্য আমরা সরকার কর্তৃক রাইস মিলের ব্যবস্থা করে দিব ইনশাল্লাহ।
হাওরের কৃষকদের বক্তব্য হল :একমাত্র যদি খোদা চাই আমাদের রক্ষা করতে পারে,এছাড়া আমাদের আর কোন রক্ষাকারী নেই।

































