শিরোনাম
বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নতুন বাজেটে করের বাড়তি চাপ, জীবনযাত্রার খরচ বাড়বে

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ

Image

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দেশের কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাজস্ব ঘাটতি মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক ঋণচাপ এবং উন্নয়ন ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজন—সব মিলিয়ে সরকার এবার কর আহরণ বাড়াতে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। তবে সেই আহরণ কাঠামো কীভাবে সাজানো হচ্ছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য বলছে—প্রত্যক্ষ করের পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে আয়ভিত্তিক কর থেকে ভোগভিত্তিক করের দিকে একটি স্পষ্ট ঝোঁক তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়বে সমাজের প্রায় সব স্তরের মানুষের ওপর।


সর্বজনীন করের দিকে যাত্রা?


প্রস্তাবিত কর কাঠামোর সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের ওপর কর আরোপের উদ্যোগ। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, কেউ যদি এক টাকার সম্পদও উত্তরাধিকার হিসেবে পান, তাতেও কর দিতে হবে। যদিও এক টাকার নিচে প্রাপ্ত সম্পদের ক্ষেত্রে কর প্রযোজ্য হবে না, কিন্তু এই সীমা অতিক্রম করলেই করের আওতায় পড়তে হবে। ফলে কার্যত ভিক্ষুক বা সম্পদহীন মানুষ ছাড়া প্রায় সবাই করের আওতায় চলে আসবেন।


এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর—কারও জন্যই কোনও বিশেষ ছাড় থাকছে না, যদি তারা উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পান। অর্থাৎ কর ব্যবস্থায় একটি সর্বজনীনতার ধারা তৈরি হচ্ছে, যেখানে সম্পদের মালিকানা থাকলেই কর দিতে হবে, তা যতই সামান্য হোক না কেন।


করের হার ও কাঠামো


উত্তরাধিকার করের ক্ষেত্রে দুটি শ্রেণি নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে—নিকটাত্মীয় ও দূরসম্পর্কের আত্মীয়। নিকটাত্মীয়ের ক্ষেত্রে (মা, বাবা, ভাই, বোন) ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ১ শতাংশ, পরবর্তী ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ২ শতাংশ। পরবর্তী ধাপে ৩ শতাংশ, উচ্চ স্তরে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ।


দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের ক্ষেত্রে: ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ৩ শতাংশ, পরবর্তী ৫ কোটি টাকা ৫ শতাংশ, এরপর ৭ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ স্তরে ১০ শতাংশ।


এই কর হিসাব করা হবে সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্যের ভিত্তিতে। এখানেই তৈরি হচ্ছে নতুন এক অনিশ্চয়তা। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই সম্পদের ঘোষিত মূল্য ও বাজারমূল্যের মধ্যে বড় পার্থক্য থাকে। ফলে কর নির্ধারণে কর কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে, যা হয়রানি বা স্বেচ্ছাচারিতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


একটি উদাহরণ


ধরা যাক, কোনও ব্যক্তি জীবদ্দশায় ১০ লাখ টাকার একটি সম্পদের মালিক ছিলেন। মৃত্যুর পর দেখা গেলো সেই সম্পদের বাজারমূল্য বেড়ে এক কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এখন উত্তরাধিকারী সেই সম্পদ পাওয়ার সময় তাকে ১ শতাংশ হারে এক লাখ টাকা কর দিতে হবে। যদি একাধিক উত্তরাধিকারী থাকে, তাহলে প্রত্যেককে তাদের অংশ অনুযায়ী কর দিতে হবে। এই ধরনের কর কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সম্পদ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় একটি নতুন আর্থিক চাপ তৈরি হবে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে।


পরোক্ষ করের বিস্তার: চাপ বাড়বে কার ওপর?


কর কাঠামোর আরেকটি বড় পরিবর্তন হচ্ছে পরোক্ষ করের বিস্তার। পরোক্ষ কর এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কর সরাসরি আয়ের ওপর নয়, বরং পণ্য ও সেবার ভোগের ওপর আরোপ করা হয়। ফলে একজন ধনী ব্যক্তি ও একজন দরিদ্র ব্যক্তি একই পণ্য কিনলে একই হারে কর দেন। এখানেই তৈরি হয় বৈষম্য। কারণ দরিদ্র মানুষের আয়ের বড় অংশ ব্যয় হয় ভোগে, ফলে তাদের আয়ের তুলনায় করের বোঝা বেশি হয়ে দাঁড়ায়।


উদাহরণ হিসেবে ধরা যেতে পারে, এক কেজি দুধের দাম ৫০ টাকা, এর ওপর ১০ টাকা ভ্যাট আরোপ করা হলে ক্রেতাকে ৬০ টাকা দিতে হবে। এই অতিরিক্ত ১০ টাকা সবার জন্য সমান হলেও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এটি তুলনামূলক বড় চাপ।


গবেষণা কী বলছে?


বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে পরোক্ষ কর কাঠামো কার্যত প্রত্যাবর্তনশীল (রিগ্রেসিভ)। অর্থাৎ, এটি ধনীদের তুলনায় দরিদ্রদের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে। গবেষণায় বলা হয়েছে—দৈনিক ২০০ টাকা আয়কারী ব্যক্তি ১৫ শতাংশ ভ্যাট দেন। একইভাবে ৫ হাজার টাকা আয়কারী ব্যক্তিও একই হারে ভ্যাট দেন। ফলে দরিদ্র ব্যক্তির আয়ের তুলনায় করের অংশ অনেক বেশি হয়ে যায়।


এছাড়া গবেষণায় আরও দেখা যায়—মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশ ধনী শ্রেণি, আয়কর প্রদানে অংশগ্রহণ মাত্র ৩৩ শতাংশ টিআইএনধারীর। অথচ ভ্যাট ও অন্যান্য পরোক্ষ করের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীই রাজস্বের বড় অংশ জোগান দেয়।


মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব


পরোক্ষ কর বাড়ানোর একটি তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে বাজারে। পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যার ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। একইসঙ্গে মুদ্রাস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে, যার ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। অর্থাৎ, আজ যে টাকায় একজন মানুষ নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কিনতে পারছেন, ভবিষ্যতে সেই একই টাকায় কম পণ্য পাবেন। এতে সঞ্চয় কমে যেতে পারে, বিনিয়োগে অনাগ্রহ তৈরি হতে পারে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


সঞ্চয়ে করের চাপ: নিরুৎসাহের আশঙ্কা


নতুন বাজেটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হচ্ছে—ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর আবগারি শুল্ক বাড়ানো। বর্তমানে যেখানে এই হার প্রায় ১৫ শতাংশ, তা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার চিন্তাভাবনা চলছে। এর ফলে এফডিআর বা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার বড় অংশ কর হিসেবে কেটে নেওয়া হবে। সঞ্চয়ে আগ্রহ কমে যেতে পারে। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট তৈরি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি বিনিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।


কর প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ


কর ব্যবস্থায় দাফতরিক জটিলতা, হয়রানি এবং অদক্ষতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। অনেক সম্ভাব্য করদাতা এই কারণে প্রত্যক্ষ কর দিতে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন। ফলে সরকার পরোক্ষ করের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠছে, যা আবার বৈষম্য বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর প্রশাসন আধুনিকায়ন না করলে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে কর আহরণ বাড়ানো কঠিন হবে।


আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট


বিশ্বের অনেক দেশেই উত্তরাধিকার কর চালু রয়েছে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও জাপান। তবে কিছু দেশ এই কর বাতিলও করেছে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বলছে—এই খাত থেকে রাজস্ব আসে তুলনামূলক কম। তবে সম্পদবৈষম্য কমাতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশে এই কর চালু হলে কয়েক হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর সামাজিক প্রভাব কী হবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।


অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, কর আহরণ বাড়ানো জরুরি হলেও তা হতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। তাদের সুপারিশ হলো—একটি নির্দিষ্ট করমুক্ত সীমা (থ্রেশহোল্ড) নির্ধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা। কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। ডিজিটাল কর ব্যবস্থার সম্প্রসারণ।


এ প্রসঙ্গে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আয়কর নির্ধারণে পূর্বানুমানযোগ্যতা থাকা জরুরি। ব্যবসায়ীরা যদি আগে থেকেই জানেন কত কর দিতে হবে, তাহলে তারা বিনিয়োগ পরিকল্পনা করতে পারবেন।


সরকারের অবস্থান


অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন বাজেটে বড় ধরনের কর ছাড় দেওয়া সম্ভব হবে না। তবে ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তার মতে, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধিই অর্থনীতিকে এগিয়ে নেবে। তাই কর বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।


সামগ্রিক পরিস্থিতি


সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেট একটি নতুন কর বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে—পরোক্ষ করের বিস্তার, সঞ্চয়ে করের চাপ বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার কর চালুর উদ্যোগ। এই তিনটি বিষয় দেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—এই কর কাঠামো কতটা ন্যায্য এবং টেকসই হবে?


যদি করের বোঝা অসমভাবে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর পড়ে, তাহলে তা সামাজিক বৈষম্য আরও বাড়াতে পারে। আবার সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি রাজস্ব আহরণ বাড়িয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহায়তা করতে পারে। সুতরাং, কর কাঠামোর এই রূপান্তর কতটা জনবান্ধব হবে, তা নির্ভর করবে নীতিনির্ধারণের সূক্ষ্মতা, বাস্তবায়নের দক্ষতা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের ন্যায্যতার প্রতি অঙ্গীকারের ওপর।


আরও খবর




নতুন বাজেটে করের বাড়তি চাপ, জীবনযাত্রার খরচ বাড়বে

হাকিমির চোট, দ্বিতীয় লেগের আগে বড় ধাক্কা পিএসজির

‘ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কথা ভাবার জন্য কেউ ছিল না’

বাংলাদেশে ডেনিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

ঢাকা শহরকে নিজের আঙিনার মতো করে সাজাতে চাই : ডিএসসিসি প্রশাসক

হত্যা মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ফের ৪ দিনের রিমান্ডে

ব্যাংক-আর্থিক খাতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী

বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও দুই বিল পাস

বাসে আটকে মৃত্যু ঠেকাতে বিআরটিএ’র নতুন নির্দেশনা

ঈদুল আজহায় ঢাকায় ২৬ পশুর হাট, দক্ষিণে ১৩ ও উত্তরে ১৩টি

শুক্রবার ঢাকায় শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী

‘খুব দ্রুতই আমরা এমন এক অস্ত্র দেখাবো, যা শত্রুরা সবচেয়ে বেশি ভয় পায়’

ধাপে ধাপে নিয়োগ পাবে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ৭০-৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হয়েছে

ধানঘড়া চারমাথায় চা দোকানের আড়ালে গাঁজা বিক্রির অভিযোগ: স্থানীয়দের উদ্বেগ ‎

কুকরী মুকরী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছাত্রনেতা রিমন

ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী সংবাদ প্রচারের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ,মেসেঞ্জারে হুমকি

‎“উত্তরধানঘড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে ‎মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী আন্দোলন ও সুস্থ সমাজ গঠন কেন্দ্রের উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান

মনপুরায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো মিজানুর রহমান কবির

স্বল্প বেতনে বিলাসী জীবন, সাভার সাব রেজিস্ট্রার জাকিরের হাজার কোটি টাকার সম্পদের পাহাড়

প্রশাসন না থাকলেই বেপরোয়া হয়ে উঠে সিন্ডিকেট চক্র,বাধা দিলেই হামলা

‎ধানঘড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নজরদারি জোরদার

রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ

‎সংবাদ প্রচারের পর যুব সমাজের উদ্যোগে উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন

সাতক্ষীরার চম্পাফুল স্কুলে স্বপন ঘোষের নিয়োগের বৈধ্যতা নিয়ে নানান প্রশ্ন; ২৮ বছর যাবৎ তুলছেন বেতন-ভাতা

রূপগঞ্জে ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও তার স্ত্রী-সন্তানের উপর সন্ত্রাসী হামলা

চন্দনাইশে ওয়ারেন্টভুক্ত ২জন আসামী গ্রেপ্তার

মধ্যনগরে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব


এই সম্পর্কিত আরও খবর

বাংলাদেশে ডেনিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি, দেশজুড়ে ছাতা বিক্রির হিড়িক

আসছে ৯ লাখ কোটির বাজেট

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও কমলো স্বর্ণের দাম

বন্ধ ৬টি পাটকল ছয় মাসের মধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে চালুর সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সংকটের সঙ্গে লোডশেডিং, চাপে রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো

রাজস্ব বাড়াতে করপোরেট করহার কমানোর সুযোগ নেই : এনবিআর চেয়ারম্যান

এপ্রিলের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ১০৯ কোটি টাকা

দেশি মুরগি গরুর সমান!

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ধাক্কা, কমেছে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি