
আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, বোদা পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড় বোদা উপজেলার ৪ নং কাজল দিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড গোয়ালপাড়া গ্রামের, নির্মল চন্দ্র রায়, এর লম্পট ছেলে তাপস চন্দ্র রায়, (২২),
একই উপজেলা, গড়েরডাঙ্গা ব্যাংহাড়ি বর্নগ্রাম ইউনিয়নের, জগদীশ চন্দ্র রায়, এর ধর্ষিত কন্যা ,(১৭), এর সাথে দীর্ঘ তিন বছর প্রেমের ছলনা করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
পরে তাপস চন্দ্র রায় কে ধর্ষিতা বিয়ের তাগিদ দিলে তাপস চন্দ্র রায় ও তার পিতা নির্মল চন্দ্র রায়, স্থানীয় ঘটক আমিরুল ইসলামের মাধ্যমে তড়িঘড়ি করে একই ইউনিয়নের শামনডাঙ্গা গ্রামে এক নাবালিকা তরুণীর সাথে বিবাহ দেওয়া হয়।
বিষয়টি ধর্ষিতা ও তার পরিবার জানতে পেয়ে লম্পট তাপস চন্দ্র রায়, এর বাড়িতে এসে ৫ দিন ধরে বিয়ের দাবিতে অনশন করতে থাকে। এতে করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়, এ যেন মধুর চাকে মৌমাছি। দুই পক্ষের চেয়ারম্যান মেম্বার স্থানীয় মাতাব্বর দের অভাব নেই।
ছয় দিনের মাথায় প্রেমিকা ধর্ষিতাকে নানান ভয়-ভীতি দেখিয়ে দেড় লক্ষ টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে বিদায় করে দেন দুই পক্ষের চেয়ারম্যান মেম্বার ও স্থানীয় মাতব্বররা। এ যেন আইন কে বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়ে দিল শুভঙ্করের ফাঁকি।
এই বিচারে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন বোদা উপজেলা ব্যাংহাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলী। কাজল দিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল মমিন, ও স্থানীয় ইউপি সদস্যবৃন্দ।




























