শিরোনাম
টাঙ্গাইলে শিশু পুত্র হত্যার দায়ে সৎ মায়ের যাবজ্জীবন রূপগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গ্রেফতার সংবাদ প্রকাশের পর অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিলেন জেলা প্রশাসক,শুনানির নোটিশ জারি মুরাদনগরে সড়কের নিম্নমানের ইট অপসারণের নির্দেশ উপজেলা প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি,সাতক্ষীরার কনটেন্ট ক্রিয়েটর মামুন গ্রেপ্তার নাঙ্গলকোটে আইটপাড়া আলিম মাদ্রাসায় টানা দুই বছর শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল,শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন সড়কে অবৈধ হকার উচ্ছেদে লাকসামে ইউএনওকে স্মারকলিপি ঝিনাইগাতীতে শাহীন ক্যাডেট স্কুলের ২য় সেমিস্টার পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পত্নীতলায় নজিপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির উদ্বোধন পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬

কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে: সুপ্রিম কোর্ট

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বুধবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বর্তমানে বেশ কয়েকজন বিচারপতি আচরণের (কনডাক্ট) বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতিও হয়েছে।


বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) বিষয়টি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন সূত্র।  


১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ছিল। ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পণ করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয় সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কাছে।  


 ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ষোড়শ সংশোধনীতে সেটা বাতিল করে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হয় সংসদকে। বিলটি পাসের পর একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।


সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয় আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রুলের রুল শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।


রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পাওয়ার পর ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।


ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত রায়টি দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। পরে একই বছরের ১ আগস্ট ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।


গত ২০ অক্টোবর সেই রিভিউ আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন আপিল বিভাগ।  


এরপর সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।


কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে এই কাউন্সিল যাচাই বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ প্রেরণ করেন। সংবিধান অনুসারে, প্রধান বিচারপতি ও জ্যেষ্ঠ দুইজন বিচারপতির সমন্বয়ে এ কাউন্সিল গঠিত হয়।


সেই সময়ে অন্তত ১৫ জন বিচারপতিকে বিচার কাজের বাইরে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজন বিচারপতি ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন।


এ অবস্থায় বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বর্তমানে বেশ কয়েকজন বিচারপতির আচরণের (কনডাক্ট) বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে এবং এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।


ষোড়শ সংশোধনীতে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বাতিলের আগে সংবিধানের এ সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, (২) এই অনুচ্ছেদের নিম্নরূপ বিধানাবলি অনুযায়ী ব্যতীত কোনো বিচারককে তাহার পদ হইতে অপসারিত করা যাইবে না।


(৩) একটি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল থাকিবে যাহা এই অনুচ্ছেদে ‘কাউন্সিল’ বলিয়া উল্লেখিত হইবে এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকের মধ্যে পরবর্তী যে দুইজন কর্মে প্রবীণ তাহাদের লইয়া গঠিত হইবে:


তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিল যদি কোনো সময়ে কাউন্সিলের সদস্য এইরূপ কোনো বিচারকের সামর্থ্য বা আচরণ সম্পর্কে তদন্ত করেন, অথবা কাউন্সিলের কোনো সদস্য যদি অনুপস্থিত থাকেন অথবা অসুস্থতা কিংবা অন্য কোনো কারণে কার্য করিতে অসামর্থ্য হন তাহা হইলে কাউন্সিলের যাহারা সদস্য আছেন তাহাদের পরবর্তী যে বিচারক কর্মে প্রবীণ তিনিই অনুরূপ সদস্য হিসাবে কার্য করিবেন।


(৪) কাউন্সিলের দায়িত্ব হইবে-


(ক) বিচারকগণের জন্য পালনীয় আচরণ বিধি নির্ধারণ করা; এবং


(খ) কোনো বিচারকের অথবা কোনো বিচারক যেরূপ পদ্ধতিতে অপসারিত হইতে পারেন সেইরূপ পদ্ধতি ব্যতীত তাহার পদ হইতে অপসারণযোগ্য নহেন এইরূপ অন্য কোনো পদে আসীন ব্যক্তির সামর্থ্য বা আচরণ সম্পর্কে তদন্ত করা।


(৫) যে ক্ষেত্রে কাউন্সিল অথবা অন্য কোনো সূত্র হইতে প্রাপ্ত তথ্যে রাষ্ট্রপতির এইরূপ বুঝিবার কারণ থাকে যে কোনো বিচারক-


(ক) শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে তাহার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করিতে অযোগ্য হইয়া পড়িতে পারেন, অথবা


(খ) গুরুতর অসদাচরণের জন্য দোষী হইতে পারেন, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলকে বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত করিতে ও উহার তদন্ত ফল জ্ঞাপন করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।


(৬) কাউন্সিল তদন্ত করিবার পর রাষ্ট্রপতির নিকট যদি এইরূপ রিপোর্ট করেন যে, উহার মতে উক্ত বিচারক তাহার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে অযোগ্য হইয়া পড়িয়াছেন অথবা গুরুতর অসদাচরণের জন্য দোষী হইয়াছেন তাহা হইলে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা উক্ত বিচারককে তাহার পদ হইতে অপসারিত করিবেন।


(৭) এই অনুচ্ছেদের অধীনে তদন্তের উদ্দেশ্যে কাউন্সিল স্বীয় কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করিবেন এবং পরোয়ানা জারি ও নির্বাহের ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের ন্যায় উহার একই ক্ষমতা থাকিবে। 


আরও খবর




টাঙ্গাইলে শিশু পুত্র হত্যার দায়ে সৎ মায়ের যাবজ্জীবন

সোনারগাঁয়ে শিশুর গলায় চাপাতি ঠেকিয়ে ডাকাতির অ‌ভি‌যোগ

রূপগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব গ্রেফতার

উলিপুরে কৃষিজমির মাটি কেটে পুকুর খনন, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সংবাদ প্রকাশের পর অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিলেন জেলা প্রশাসক,শুনানির নোটিশ জারি

মুরাদনগরে সড়কের নিম্নমানের ইট অপসারণের নির্দেশ উপজেলা প্রকৌশলীর

ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি,সাতক্ষীরার কনটেন্ট ক্রিয়েটর মামুন গ্রেপ্তার

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোনারগাঁয়ে গ্রেপ্তার

নাঙ্গলকোটে আইটপাড়া আলিম মাদ্রাসায় টানা দুই বছর শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল,শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

সড়কে অবৈধ হকার উচ্ছেদে লাকসামে ইউএনওকে স্মারকলিপি

ঝিনাইগাতীতে শাহীন ক্যাডেট স্কুলের ২য় সেমিস্টার পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পত্নীতলায় নজিপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির উদ্বোধন

পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২

শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

বন্দরে নিশা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন হাইকো‌র্টে

বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি; রাজশাহীতে দুই আসামি গ্রেপ্তার

নওগাঁয় অবৈধ তেল বিপণনে বিএসটিআইয়ের ১০ হাজার টাকা জরিমানা

রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নারীসহ গুরুতর আহত ৩

চাঁদপুর আদালতে মাদক মামলার আসামির জামিন চাইলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

থানায় বিচার চাইতে গিয়ে ৭ ঘণ্টা নির্যাতন! মোহনপুরের ওসির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর অভিযোগ

থানায় বিচার চাইতে গিয়ে ৭ ঘণ্টা নির্যাতন! মোহনপুরের ওসির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর অভিযোগ

আইনজীবী নেতাদের কথিত অবৈধ আবদার না মানায় আদালত বর্জন

রাজশাহীতে ইয়াবাসহ কথিত সাংবাদিক আটক

বন্দ‌রের নিশা বেগম হত্যা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টের কার্যতালিকায়