শিরোনাম
লালমোহন প্রেসক্লাবে বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন লালমোহনের ইকবাল শেরপুরে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে মায়ের সামনে ড্রামট্রাকের নিচে প্রাণ গেল শিশুর রূপগঞ্জে বীর প্রতিক গাজী উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে পূর্বের নামে পুনঃনামকরন করার প্রস্তাব নোয়াখালীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যের আহ্বান চাঁদপুর জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ইসমাইল, সদস্য সচিব সোহাগ নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে জিয়া স্মৃতি ডাবল হোন্ডা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ১৬ মে চাঁদপুরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবায় দলিল রেজিস্ট্রিতে 'চাঁদা' আদায় ও হয়রানির : প্রতিকার চেয়ে নতুন সমিতির আত্মপ্রকাশ
রবিবার ০৩ মে ২০২৬
রবিবার ০৩ মে ২০২৬

পলায়নের ৫ মাসেও মুখ দেখাননি হাসিনা

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৫ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৫ | অনলাইন সংস্করণ

Image

ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতন ও শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে ভারতে পলায়নের পাঁচ মাস পূর্ণ হলো। এই পাঁচ মাসে কল রেকর্ড ফাঁস, চট করে দেশে ঢুকে পড়াসহ শেখ হাসিনার নানান চটকদার বক্তব্য পাওয়া গেছে।

তবে একবারের জন্যও তার মুখ দেখা যায়নি গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোথাও।


২০২৪ সালের শুরুতে ডামি নির্বাচনে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার মাত্র ৭ মাসের মাথায় তীব্র জনরোষে গত ৫ আগস্ট গদি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী।


২০১৪, ২০১৮ সালে বিতর্কিত নির্বাচনে সরকার গঠনের পর ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি আরেকটি বিতর্কিত ডামি নির্বাচনে আবারও ক্ষমতা দখল করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। জানুয়ারিতে সরকার গঠনের পর থেকে বড় ধরনের কোনো আন্দোলন বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি পড়তে হয়নি শেখ হাসিনাকে।


হঠাৎ করেই চলে আসে কোটা সংস্কার আন্দোলন। ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে সরকারি চাকরির নিয়োগে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। হঠাৎ করেই আওয়ামী লীগ সরকারের গ্রিন সিগনাল অনুযায়ী ২০২৪ সালের ৫ জুন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল করার রায় দেন হাইকোর্ট। কোটা সংস্কারের দাবিতে আবারও শুরু হয় আন্দোলন। ধীরে ধীরে তীব্র আকার নিতে থাকে এ আন্দোলন। শুরুতে আন্দোলন ছিল শান্তিপূর্ণ। গত ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের খোঁচা ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। এতে যেন আগুনে ঘি ঢালা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাবানলের মতো আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।


বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের দাবানলে আরেক দফা ঘি ঢালেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি ছাত্রলীগকে উসকে দেন। ছাত্রলীগ বহিরাগতদের নিয়ে আন্দোলনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর হামলা করে। আন্দোলনের বারুদ ছড়িয়ে পড়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এক রাতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রলীগকে বিতাড়িত করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।


১৬ জুলাই, রংপুরে নিহত হন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। দুই হাত উঁচু করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। পুলিশের ছররা গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তার মৃত্যুর দৃশ্য মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তীব্রতা বাড়তে থাকে আন্দোলনের। ছাত্রদের সঙ্গে আন্দোলনে যুক্ত হয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। লাশের মিছিল বাড়তে থাকে, সেই সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তীব্রতাও বাড়তে থাকে।


পরবর্তী কয়েকদিন সারা দেশে ব্যাপক সহিংসতা হয়। কারফিউ জারি করে কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট, ছররা গুলির পাশাপাশি তাজা গুলি ব্যবহার করে পুলিশ। হেলিকপ্টার থেকেও গুলি করা হয় আন্দোলনকারীদের ওপর।  পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে শত শত ছাত্র-জনতা প্রাণ হারায়।


ব্যাপক প্রাণহানি ও নৃশংসতার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার আন্দোলন কিছুটা দমন করতে সক্ষম হয়। এর মধ্যে আদালত কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরি পুনর্বহালের পরিবর্তে সংস্কার করে। ৫৬ শতাংশ থেকে কোটা ১০ শতাংশে নেমে আসে।


এদিকে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন পরিণত হয় সরকার পতনের আন্দোলনে। বুলেট আর ব্যাপক প্রাণহানির মাধ্যমে রাস্তা থেকে আন্দোলনকারীদের কিছুটা সরাতে পারলেও ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে দেশের জনগণ। এর মধ্যে সামনে আসে ‘ভাতের হোটেল’খ্যাত ডিবি পুলিশে প্রধান হারুনের নাটক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ডিবি অফিসে বসিয়ে ভাত খাওয়ানো এবং সেই ছবি-ভিডিও প্রচার করা, তাদের দিয়ে জোর করে বিবৃতি আদায় করা হয়। মানুষ এতে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ফের রাস্তায় নামতে শুরু করে।


সরকার আরও কঠোর হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ৪ আগস্ট মাঠে নামানো হয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সন্ত্রাসীদের। তীব্র জনরোষে ময়দানে টিকতে পারেনি আওয়ামী লীগ। সেনাবাহিনীকে ছাত্র-জনতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার শেষ চেষ্টা করেন শেখ হাসিনা। কিন্তু সেনাবাহিনীর বড় অংশ ছাত্র-জনতাকে গুলি করতে অস্বীকৃতি জানায়। চাপে পড়ে সেনাবাহিনীর হাইকমান্ড, ছাত্র-জনতার বুকে গুলি না করার সিদ্ধান্ত নেন সেনাসদস্যরা।


৫ আগস্ট সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ছাত্র-জনতার ঢল নামে। ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের মানুষ শেখ হাসিনাকে গদি থেকে উৎখাতের জন্য গণভবনের দিকে ছুটতে থাকেন। শেখ হাসিনা গণভবন থেকে পালানোর জন্য মাত্র ৪৫ মিনিট সময় পান। তীব্র জনরোষ থেকে কোনোরকমে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


৮ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আমন্ত্রণে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস; গঠিত হয়  অন্তর্বর্তী সরকার।


আওয়ামী লীগ অফিস এখন পাবলিক টয়লেট

৪ আগস্টেও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছিল নেতাকর্মীদের আনাগোনায় সরগরম। আওয়ামী লীগ সরকারের পতন এবং শেখ হাসিনার পলায়নের পর থেকে সেখানে আর কেউ আসে না। ৫ আগস্ট বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতার হামলা-ভাঙচুরে পরিত্যক্ত ভবনে পরিণত হয় এক সময়ের আলো ঝলমলে সুরম্য এই অট্টালিকা। ভবনটিকে এখন গণশৌচাগার হিসেবে ব্যবহর করছে ছিন্নমূল মানুষ।


উসকানি ও সাধারণ নেতাকর্মীদের দুর্ভোগ

ভারতে আত্মগোপনে থেকেও নেতাকর্মীদের উসকানি দিতে থাকেন শেখ হাসিনা। ৫ আগস্ট পতনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ দলটির অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা, এমনকি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মীও ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যান। যারা দেশ ছাড়তে পারেননি তারাও চলে যান আত্মগোপনে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলের প্রধান বিচারপতি, পুলিশ প্রধান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর, পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের বিভিন্ন কর্তা ব্যক্তি, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান অথবা আত্মগোপনে চলে যান।


৫ আগস্ট পালানোর পর বেশ কয়েকটি সাজানো কল রেকর্ড ফাঁস হয় শেখ হাসিনার। সেখানে তিনি কৌশলে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন। সীমান্তের কাছেই আছেন, সময়মতো চট করে দেশে ঢুকে পড়বেন বলে সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঠে নামানোর জন্য উসকানি দেন।


এক ধাক্কায় আওয়ামী লীগ যখন পুরো দেশ থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে, নেতারা যখন আত্মগোপনে, এরকম একটা নাজুক পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে প্রথম উসকানি দেন।  সাধারণ নেতাকর্মীদের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা ও জয়ের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব ও উসকানিতে বিভ্রান্ত হয়ে ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে গণপিটুনির শিকার হন কয়েকজন নেতাকর্মী। যাদের একজন কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর প্রাণ হারান।


দ্বিতীয় দফায় ১০ নভেম্বরে নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আবারও নেতাকর্মীদের উসকানি দিয়ে গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে সমবেত করার চেষ্টা করেন আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা। সেদিনও ২০/৩০ জন নেতাকর্মী সেখানে জড়ো হন, যাদের কয়েকজনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। 


আরও খবর




লালমোহন প্রেসক্লাবে বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন লালমোহনের ইকবাল

শেরপুরে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে মায়ের সামনে ড্রামট্রাকের নিচে প্রাণ গেল শিশুর

কার ছায়ায় আটকে গোপাল বাবু মোড়? প্রশ্নের মুখে লামার উন্নয়ন

হাওরে কান্না, অতিবৃষ্টিতে ধানে পচন, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ

রাঙ্গাবালীতে পানির নিচে মুগডাল

মেহেরপুরে টিনের চালা মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

বাগবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে মাহবুব মিয়ার উদ্যোগে ছাতা বিতরণ

রূপগঞ্জে বীর প্রতিক গাজী উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে পূর্বের নামে পুনঃনামকরন করার প্রস্তাব

সিদ্ধিরগঞ্জে ৩ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যের আহ্বান

ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনে নির্বাচিত দৌলতপুরের মেহেদী হাসান, কেন্দ্রীয় যুবদলের শুভেচ্ছা

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন মধ্যনগরের চয়ন

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন মধ্যনগরের সোহাগ

ধানঘড়া চারমাথায় চা দোকানের আড়ালে গাঁজা বিক্রির অভিযোগ: স্থানীয়দের উদ্বেগ ‎

কুকরী মুকরী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ছাত্রনেতা রিমন

উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী আন্দোলন ও সুস্থ সমাজ গঠন কেন্দ্রের উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান

ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী সংবাদ প্রচারের পর সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ,মেসেঞ্জারে হুমকি

‎“উত্তরধানঘড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে ‎মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

মনপুরায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো মিজানুর রহমান কবির

স্বল্প বেতনে বিলাসী জীবন, সাভার সাব রেজিস্ট্রার জাকিরের হাজার কোটি টাকার সম্পদের পাহাড়

প্রশাসন না থাকলেই বেপরোয়া হয়ে উঠে সিন্ডিকেট চক্র,বাধা দিলেই হামলা

‎ধানঘড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নজরদারি জোরদার

রামপাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোঃ মহিবুল্লাহ শেখকে দেখতে চায় জনগণ

‎সংবাদ প্রচারের পর যুব সমাজের উদ্যোগে উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন

সাতক্ষীরার চম্পাফুল স্কুলে স্বপন ঘোষের নিয়োগের বৈধ্যতা নিয়ে নানান প্রশ্ন; ২৮ বছর যাবৎ তুলছেন বেতন-ভাতা

রূপগঞ্জে ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও তার স্ত্রী-সন্তানের উপর সন্ত্রাসী হামলা

চন্দনাইশে ওয়ারেন্টভুক্ত ২জন আসামী গ্রেপ্তার

মধ্যনগরে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব


এই সম্পর্কিত আরও খবর

চাঁদপুর জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ইসমাইল, সদস্য সচিব সোহাগ

১৬ মে চাঁদপুরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা শহরকে নিজের আঙিনার মতো করে সাজাতে চাই : ডিএসসিসি প্রশাসক

শুক্রবার ঢাকায় শ্রমিক সমাবেশ, বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই সনদকে দলীয় ইশতেহারে রূপ দিয়ে বিএনপি কলুষিত করেছে: নাহিদ ইসলাম

ভূগর্ভস্থের উপর চাপ কমাতে ভূপৃষ্ঠের পানির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান ফখরুলের

বোয়ালিয়া থানার ওসির প্রত্যাহার চেয়ে যুবদলের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

মুক্তিযুদ্ধকে ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা সফল হবে না: রিজভী

হাসিনার এমপির মাধ্যমে ৫০০ কোটি টাকা অফার দেওয়া হয়েছিল: রিফাত রশিদ

প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি, অপপ্রচার রোধে সচেতনতা জরুরি: মাহদী আমিন