
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার আগামীকাল (সোমবার, ২০ এপ্রিল) বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে তিনি যাবেন পৈতৃক নিবাস বাগবাড়ীতে। তার সফরকে কেন্দ্র করে সরব জেলার নেতাকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে বগুড়াবাসীর কাছে।
২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার ৭টি আসনের সবকটিতে জয় পেয়েছে বিএনপি। সরকার গঠনের পর বগুড়াবাসীর প্রত্যাশা উন্নয়ন বঞ্চিত বগুড়া এবার উন্নয়নের পথে হাঁটবে।
বন্ধ হয়ে যাওয়া বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মান, বিমানবন্দর চালু, করতোয়া নদী সংস্কার, ভারী শিল্প পার্ক স্থাপন, যানজট নিরসনে শহরে ফ্লাইওভারসহ নানা দাবি রয়েছে বগুড়াবাসীর। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে সমস্যাগুলো সমাধানে ইতিবাচক সাড়া মিলবে— এমনটিই প্রত্যাশা বগুড়ার সর্বস্তরের মানুষ।
বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরে বগুড়ার মানুষ বেশ উজ্জীবিত। তাছাড়া বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক বেশি চিন্তা করেন বলেও মনে করেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া নিয়ে পরিকল্পনায় সেখানকার মানুষের সব প্রত্যাশা পূরণ হবে বলেও বিশ্বাস তাদের।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনে আনন্দিত গাবতলীর বাগবাড়ী গ্রামের মানুষ। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চলছে জিয়া বাড়ীতে। সেই সাথে অবহেলিত জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান বাড়বে এমন প্রত্যাশা গ্রামবাসীর।
প্রধানমন্ত্রী আগমনের সব প্রস্ততি শেষ হয়েছে। বিভিন্ন কর্মকর্তারা আগমন স্থল পরিদর্শন করেছেন। নিরাপত্তাসহ কর্মসূচির সবকিছু হবে সুশৃংখলভাবে। সবার সহযোগিতার আশা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এ কর্মকর্তার।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘কিছু জায়গায় উনি যাবেন এবং কিছু ফলক উন্মোচন করবেন, বাগবাড়িতে কার্ড বিতরণ হবে, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত সেই বাসায় যাবেন।’
এ সফরে বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা, ই-বেল্ডবোনের উদ্বোধন, ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ, খাল খননসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রায় দুই দশক পর ২০ এপ্রিল তারেক রহমান তার পৈতৃক নিবাসে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী হয়ে। এতে এলাকার মানুষের মধ্যে বইছে খুশির জোয়ার।





























