
গাজী হাবিব, সাতক্ষীরা: জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এম আর খান শিশু হাসপাতাল সাতক্ষীরায় স্বজনপ্রীতি ও অনুদানের নামে ৬ পদে পরীক্ষার পূর্বেই প্রার্থী নিয়োগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তাদের বেতন দেয়া সংক্রান্ত রেজুলেশনে শিশু হাসপাতালের সভাপতি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক স্বাক্ষর না করে বিধি মোতাবেক নিয়োগ দানের আদেশ দিলে শুরু হয় বিপত্তি। ৮ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রবিবার বেলা ১২টায় আবারও এ নিয়োগ হবে বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডাঃ এম আর খান শিশু হাসপাতাল, সাতক্ষীরায় সম্প্রতি ৬টি পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে অনেকেই এই ৬পদে আবেদন করে। কিন্তু কোন নিয়োগ পরীক্ষা না নিয়ে কৌশলে শিশু হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদকের শ্যালিকার ছেলেসহ নির্দিষ্ট ৬ জনকে নিয়োগ দান করা হয়।তারা হলেন কনসালটেন্ট তনিমা রহমান তমা, সিস্টার পদে স্মৃতি, প্যাথলজিতে রাফিন, এসিসট্যান্ট পদে শওকত মজুমদার ও শান্তা, নাইট গার্ড পদে সজীব। তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নের জন্য অনুদানের নামে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা আদায় করা হয় যা প্রতিষ্ঠানের কোন নথিতে লিপিবদ্ধ নেই বলে অভিযোগ চাউর হয়।গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তারা সবাই জয়েন করে। ইতোমধ্যেই জানুয়ারি মাসের বেতন ভাতা তাদের প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে ফেব্রয়ারি মাসের বেতন শীট দেয়ার জন্য তাদের রেজুলেশনে স্বাক্ষর করার জন্য প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি জেলা প্রাশাসক সাতক্ষীরা'র নিকট গেলে তিনি বেতন দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং পুনরায় ফেয়ার নিয়োগ নেওয়ার আদেশ দেন। যা ৮ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে বেলা ১২টায় নিয়োগের দিনক্ষণ নির্ধারিত করা হয়।সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ওই নিয়োগ পরীক্ষায় উক্ত প্রার্থীদের টিকিয়ে আনার জন্য শনিবার ৭ মার্চ বেলা সাড়ে নয়টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ওই ৬ প্রার্থীদের নিয়ে মিটিং করেন সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র ডাক্তার সহ কয়েকজন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় ডাঃ আরমান প্রার্থীদের সাথে থাকবে এ নিয়োগ সম্পন্ন করা জন্য। তবে এবারও যে কোন মূল্যে তাদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।এসব বিষয়ে জানতে হাসপাতালের সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতারের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।এদিকে জেলার সচেতনমহলসহ স্থানীয়রা সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাইয়ের জোর দাবি জানিয়েছে।




























