
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার জঙ্গলদী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং ওই বিদ্যালয়ের জমি দাতা মোঃ শাহাদত হোসেন তার চাকুরী পুনর্বহালের দাবীতে ৭ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুর ১২ টায় জঙ্গলদী গ্রামে তার বাড়ীর আঙ্গিনায় গ্রামবাসীদের ও উপস্থিত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
এসময় ভূক্তভোগী সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহাদত হোসেন লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন, জঙ্গলদী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার স্নিগ্ধার স্বেচ্ছাচারিতা ও নানা অনিয়ম—দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন।
প্রায় ২৫ বছর ওই বিদ্যালয়ে মোঃ শাহাদত হোসেন বিনা বেতনে শিক্ষকতা করে আসছেন। বিগত ২০২০ সালে শিক্ষক—কর্মচারীদের এমপিও ভূক্ত করা হলেও প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার স্নিগ্ধা তার ব্যক্তিগত কারনে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষক মোঃ শাহাদত হোসেন কে এমপিও ভুক্তি করেনি। এছাড়াও প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার স্নিগ্ধা বিগত আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে শেরপুর সদর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ ব্যবহার করে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক শাহাদত হোসেনকে কয়েক দফায় চারবার নিয়ম বর্হিভূত ভাবে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করেন।
এমন ঘটনায় শিক্ষক শাহাদত হোসেন প্রতিকার ও ন্যায় বিচার পেতে উচ্চ আদালত (হাই কোর্টের) আশ্রয় নিতে হয় তাকে। উচ্চ আদালতের রায় শিক্ষক শাহাদত হোসেনের পক্ষে হলেও ক্ষান্ত থাকেনি প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার স্নিগ্ধা। তিনি ওই রায়ের বিরুদ্ধে গোপনে রিট করে বসেন এবং শিক্ষক শাহাদত হোসেনকে পর্যায়ক্রমে হয়রানী করতে থাকেন বলে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই অভিযোগ করেন তিনি।
এছাড়াও শাহাদত হোসেন আবেগ কণ্ঠে বলেন তিনি জঙ্গলদী উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য ৩৫ শতাংশ জমিদান করেছেন এবং তার সহোদর ভাই ১০ শতাংশ জমি দান করেছেন বলেও জানান। এদিকে উপস্থিত এলাকাবাসী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার স্নিগ্ধা বিদ্যালয়ে নিয়মিত না আসার জন্য ছাত্র—ছাত্রীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং লেখাপড়ার মান্নোয়ন নেই বলে বিদ্যালয়ের অবস্থা ভঙ্গুর দশায় পরিণত হচ্ছে। পরিশেষে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহাদত হোসেন বলেন মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের উর্ধ্বতন কতৃর্পক্ষ প্রধান শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার স্নিগ্ধাকে পত্রাদেশ দেয়ার পরেও শাহাদত হোসেনকে এমপিও ভুক্তিতে আনেননি বলেও অভিযোগ করেন এবং আদালতের রায় তারপক্ষে রয়েছে সেই সাথে তার চাকুরী পুর্নবহালের জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।





























