
সীতাকুণ্ড(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি,
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ডে খান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খান ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে ও ইলমা কর্তৃক আয়োজিত ভয়েস ফোর চেইঞ্জ 'প্রকল্পের আওতায় যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষন আজ ১৮ আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ টায় সীতাকুন্ড উপজেলা বি আর ডি বি হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রশিক্ষন পরিচালনা করেন জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা । আলোচনার প্রধান ইস্যু ছিল সমাজে পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে যোগাযোগ। কথা বলার ভঙ্গি, নিজের ভাব প্রকাশের শক্তি, আরেকজনকে বোঝার সক্ষমতা—এগুলোই মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সেই উপলব্ধি নিয়েই চট্রগ্রাম সীতাকুন্ডে আয়োজন করা হয় “যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন” বিষয়ক দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা। এ কর্মশালার আয়োজন করে আব্দুল মমিন খান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন (খান ফাউন্ডেশন)। বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে ইলমা চট্রগ্রাম। এবং সীতাকুন্ডে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে নজরুল স্মৃতি সংঘ ( এন এস এস) , চট্রগ্রাম।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা জগন্নাত বনিক,সীতাকুন্ড,তিনি বক্তব্যে বলেন—“সঠিক যোগাযোগ দক্ষতা মানুষকে শুধু আত্মবিশ্বাসীই করে না, বরং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবেও কাজ করে।”নজরুল স্মৃতি সংঘের পরিচালক মোঃ ইমাম হোসেন স্বপন তার বক্তব্যে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন—“আমরা যদি নিজেদের পরিবর্তন করি, হাত ধরে একসাথে পথ চলি, তবেই গড়ে উঠবে উন্নয়নশীল ও মানবিক সমাজ।”দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শিখেছেন— কীভাবে কার্যকর ভাবে কথা বলতে হয়, নিজের ভাব প্রকাশকে আত্মবিশ্বাসের সাথে উপস্থাপন করতে হয় এবং সমাজে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করতে হয়।
এক দিনের কর্মশালায় অংশগ্রহনকারী ও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুরদপুর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নির্মল খন্দকার ,প্যানেল চেয়ারম্যান মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদ এজাহারুল ইসলাম, সাংবাদিক সঞ্জয় চৌধুরী, কাকলি এনজিও প্রতিনিধি মোঃ গিয়াস উদ্দিন ,ইউ পি সদস্য মুরাদপুর নাজনিন আক্তার, স্থায়ী কমিটির সদস্য কুমিরা মোছাঃ ছালমা বেগম, সীতাকুণ্ড এফ কমার্স যুব উদ্দেক্তা ফোরাম সদস্য সালমা আকতার, ইউ পি সদস্য, বারৈয়াঢালা খালেদা আক্তার,ইউ পি সদস্য বাড়বকুণ্ড সাদিয়া তানভীন, প্রমুখ। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নারী সভানেত্রীরা কর্মশালাকে সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে বলেন—“যোগাযোগের দক্ষতা শুধু একটি ব্যক্তিগত যোগ্যতা নয়, বরং এটি সামাজিক ও সাংগঠনিক অগ্রগতির চালিকাশক্তি।”দিন শেষে অংশগ্রহণকারীরা এক অভিন্ন অনুভূতি ব্যক্ত করেন— “আমরা বদলেছি, আমরা শিখেছি, এখন আমাদের পালা সমাজ বদলানোর।”এই প্রতিপাদ্য বলেই যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষনের কমর্সুচী সমাপ্তি হয়।





























