
শফিকুল স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহ জেলার নবগঠিত "দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা"র গেজেটভুক্ত সদর দপ্তর স্থাপনের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। “প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকার ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলাকে বিভক্ত করে 'দক্ষিণ গফরগাঁও' নামক নতুন উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।” গেজেট গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) উপজেলার প্রাণকেন্দ্র কান্দিপাড়ার পাশে অবস্থিত ১৪৩ নং নয়াবাড়ি মৌজাটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকারী দলের নেতৃত্ব দেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির এবং ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান। এ সময় তাদের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমির সালমান রনিসহ সরকারের অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ। পরিদর্শন শেষে কর্মকর্তারা উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারি গেজেটের নির্দেশনা অনুযায়ী জে এল ১৪৩ নং নয়াবাড়ি মৌজাতেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। সদর দপ্তর পরিদর্শনের খবর পেয়ে নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার আওতাধীন ৮টি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হন। উপস্থিত জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আনন্দ প্রকাশ করে এবং গেজেটভুক্ত নয়াবাড়ী মৌজায় অবিলম্বে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের জোর দাবি জানান। নিকার সভায় বহুল প্রতীক্ষিত এই উপজেলার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। উল্লেখ্য, মশাখালী, পাঁচবাগ, উস্থি, লংগাইর, পাইথল, দত্তের বাজার, নিগুয়ারী এবং টাংগাব—এই ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সদর দপ্তর স্থাপন নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। “দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে পাগলা, মশাখালী, উস্থি, লংগাইর, পাইথল, দত্তের বাজার, নিগুয়ারী ও টাংগাব এই ৮ ইউনিয়নের মানুষ 'আলাদা উপজেলা'র দাবি করে আসছিলেন। প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই পরিদর্শনের ফলে নতুন উপজেলা কমপ্লেক্সের দৃশ্যমান কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এলাকাবাসী।




























