শিরোনাম
মুরাদনগরে উল্টো রথ টানার মধ্য দিয়ে শেষ হলো রথযাত্রা উৎসব ধুনটে ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর মার্জিনাল ডাইকে ধস,হুমকির মুখে ইউনিয়ন পরিষদ লালমোহনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো ভক্তের উল্টো রথযাত্রা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল চন্দনাইশে গোয়াল ঘরে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়েছে ৭ গরু-মৃত-১ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন চন্দনাইশে পেশাজীবী দলের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ চন্দনাইশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অপরাধে ১ ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
শনিবার ২৫ জুলাই ২০২৬
শনিবার ২৫ জুলাই ২০২৬

হামের পুরোনো ধরনই ছড়াচ্ছে দেশে, মৃত্যু ৬০০ ছাড়াল

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২৬ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশে হামের পুরোনো ধরন ‘বি৩’ ভেরিয়েন্টেই শিশুসহ সব বয়সী মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা। দেশের দুটি শীর্ষস্থানীয় পরীক্ষাগারে জিন বিশ্লেষণের পর দেখা গেছে, ভাইরাসটি বাইরে থেকে আসেনি; বরং বহু বছর ধরেই বাংলাদেশে সক্রিয় থাকা একই ধরনই এখনো ছড়াচ্ছে।


সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পোলিও, হাম ও রুবেলা ল্যাবরেটরি এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরীক্ষায় একই ফল পাওয়া গেছে। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, হামের ধরন ‘বি৩’ দীর্ঘদিন ধরেই দেশে বিদ্যমান।


এরই মধ্যে দেশে হামে মৃত্যু ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে ৫১১ ও নিশ্চিত হামে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।


জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছে, যেসব শিশুর মৃত্যু হামের উপসর্গ নিয়ে হয়েছে, কার্যত তা হামের কারণেই মৃত্যু। তবে পরীক্ষাগার সীমাবদ্ধতার কারণে সবক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।


দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে হামে এত বড় মৃত্যুর ঘটনা আগে দেখা যায়নি। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের কম। চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকেই এই মৃত্যু শুরু হয় এবং এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।


তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক জাহিদ রায়হান বলেন, টিকাদান কার্যক্রমের পর সংক্রমণ কিছুটা কমেছে এবং ধীরে ধীরে মৃত্যু কমবে। তিনি বলেন, এই সময় শিশুদের নিউমোনিয়াও বেশি হয়, তাই সব মৃত্যু যে হামের কারণে, তা বলা ঠিক নয়।


জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পোলিও, মিজেলস ও রুবেলা ল্যাবরেটরি ২০১৪ সাল থেকে হামের ধরন নিয়ে গবেষণা করছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাইরাস বিশেষজ্ঞ খন্দকার মাহবুবা জামিল জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৫টি নমুনা বিশ্লেষণ করে ‘বি৩’ ধরন শনাক্ত করা হয়েছে।


একইভাবে আইইডিসিআরের মে মাসের ৩৮টি নমুনার বিশ্লেষণেও একই ফল পাওয়া গেছে। এই ল্যাবরেটরি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত এবং নিয়মিতভাবে তথ্য সংস্থাটিতে পাঠানো হয়।


বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত হামের ২৪টি ধরন শনাক্ত হয়েছে। তবে বাংলাদেশে বহু বছর ধরেই প্রধানত ‘বি৩’ ধরনটি সক্রিয়। ২০১৪ সালে প্রথম এই ধরন শনাক্ত হয়। ২০১৭–১৮ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রাদুর্ভাবের সময় ‘ডি৮’ ধরন পাওয়া গেলেও এরপর থেকে আবারও শুধু ‘বি৩’ ধরনই পাওয়া যাচ্ছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তথ্য প্রমাণ করে রোহিঙ্গা শিবির থেকে হাম ছড়িয়ে পড়ার ধারণা সঠিক নয়।


হাম নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম চললেও মৃত্যুর সংখ্যা কমছে না। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, কানপাকা, চোখের সমস্যা ও নিউমোনিয়া জটিলতা দেখা দিচ্ছে। বেশিরভাগ মৃত্যু নিউমোনিয়াজনিত কারণে হচ্ছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিছু হাসপাতালে অতিরিক্ত ভেন্টিলেটর সরবরাহ করেছে এবং হামের জন্য পৃথক ওয়ার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছে। এমনকি ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালকে হামের রোগীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগেও মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হয়নি।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক রোগনিয়ন্ত্রণ পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, এটি একটি মহামারি পরিস্থিতি, কিন্তু আমরা তা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারিনি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।



দেশে হামের পুরোনো ধরন ‘বি৩’ ভেরিয়েন্টেই শিশুসহ সব বয়সী মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা। দেশের দুটি শীর্ষস্থানীয় পরীক্ষাগারে জিন বিশ্লেষণের পর দেখা গেছে, ভাইরাসটি বাইরে থেকে আসেনি; বরং বহু বছর ধরেই বাংলাদেশে সক্রিয় থাকা একই ধরনই এখনো ছড়াচ্ছে।


সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পোলিও, হাম ও রুবেলা ল্যাবরেটরি এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরীক্ষায় একই ফল পাওয়া গেছে। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, হামের ধরন ‘বি৩’ দীর্ঘদিন ধরেই দেশে বিদ্যমান।


এরই মধ্যে দেশে হামে মৃত্যু ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে ৫১১ ও নিশ্চিত হামে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।


জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছে, যেসব শিশুর মৃত্যু হামের উপসর্গ নিয়ে হয়েছে, কার্যত তা হামের কারণেই মৃত্যু। তবে পরীক্ষাগার সীমাবদ্ধতার কারণে সবক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।


দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে হামে এত বড় মৃত্যুর ঘটনা আগে দেখা যায়নি। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের কম। চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকেই এই মৃত্যু শুরু হয় এবং এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।


তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক জাহিদ রায়হান বলেন, টিকাদান কার্যক্রমের পর সংক্রমণ কিছুটা কমেছে এবং ধীরে ধীরে মৃত্যু কমবে। তিনি বলেন, এই সময় শিশুদের নিউমোনিয়াও বেশি হয়, তাই সব মৃত্যু যে হামের কারণে, তা বলা ঠিক নয়।



জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পোলিও, মিজেলস ও রুবেলা ল্যাবরেটরি ২০১৪ সাল থেকে হামের ধরন নিয়ে গবেষণা করছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাইরাস বিশেষজ্ঞ খন্দকার মাহবুবা জামিল জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৫টি নমুনা বিশ্লেষণ করে ‘বি৩’ ধরন শনাক্ত করা হয়েছে।


একইভাবে আইইডিসিআরের মে মাসের ৩৮টি নমুনার বিশ্লেষণেও একই ফল পাওয়া গেছে। এই ল্যাবরেটরি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত এবং নিয়মিতভাবে তথ্য সংস্থাটিতে পাঠানো হয়।


বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত হামের ২৪টি ধরন শনাক্ত হয়েছে। তবে বাংলাদেশে বহু বছর ধরেই প্রধানত ‘বি৩’ ধরনটি সক্রিয়। ২০১৪ সালে প্রথম এই ধরন শনাক্ত হয়। ২০১৭–১৮ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রাদুর্ভাবের সময় ‘ডি৮’ ধরন পাওয়া গেলেও এরপর থেকে আবারও শুধু ‘বি৩’ ধরনই পাওয়া যাচ্ছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তথ্য প্রমাণ করে রোহিঙ্গা শিবির থেকে হাম ছড়িয়ে পড়ার ধারণা সঠিক নয়।


হাম নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম চললেও মৃত্যুর সংখ্যা কমছে না। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, কানপাকা, চোখের সমস্যা ও নিউমোনিয়া জটিলতা দেখা দিচ্ছে। বেশিরভাগ মৃত্যু নিউমোনিয়াজনিত কারণে হচ্ছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিছু হাসপাতালে অতিরিক্ত ভেন্টিলেটর সরবরাহ করেছে এবং হামের জন্য পৃথক ওয়ার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছে। এমনকি ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালকে হামের রোগীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগেও মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হয়নি।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক রোগনিয়ন্ত্রণ পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, এটি একটি মহামারি পরিস্থিতি, কিন্তু আমরা তা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারিনি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।


আরও খবর




মুরাদনগরে উল্টো রথ টানার মধ্য দিয়ে শেষ হলো রথযাত্রা উৎসব

ধুনটে ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর মার্জিনাল ডাইকে ধস,হুমকির মুখে ইউনিয়ন পরিষদ

লালমোহনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো ভক্তের উল্টো রথযাত্রা

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল

চন্দনাইশে গোয়াল ঘরে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়েছে ৭ গরু-মৃত-১

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

চন্দনাইশে পেশাজীবী দলের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

চন্দনাইশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অপরাধে ১ ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বাঙ্গরায় ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

শ্রীপুর বাজারে মাদক নির্মূলে জনসচেতনতা সভা, কার্যকর কমিটি গঠনের আহ্বান পুলিশের

আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের পাশে থাকব: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল করেছে রহিমপুর হেজাজিয়া এতিমখানা ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা

ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের সুস্থতা কামনায় নবীপুরে ইমাম-খতিবদের দোয়া

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে রায়হান আহমেদ বাদশা

নরসিংদীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চন্দনাইশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুরে যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াস গ্রেপ্তার

বৃত্তির ফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে আলোচনায় আহাদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল

ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ কবিরের বিরুদ্ধে

বিশ্বকাপের সবুজ গালিচায় নারায়ণগঞ্জের ছোট্ট আয়ানের পদচিহ্ন

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট ইফার ফিল্ড অফিসার

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

দয়ারামপুর (তালতলা, বিলপাড়া ও কাজিরদিয়ার) আদর্শ গ্রাম বিনির্মাণে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী (আহবায়ক) কমিটি গঠন

মাটির মা ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কাজী আলম ভূঁঞা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিজিবির বাধায় দৌলতপুর সীমান্তে পুশ-ইন ব্যর্থ

স্পিডবোট চালক নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ানো ভিত্তিহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত চান যুবদল নেতা এম শহীদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনর্নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা

৫ আগস্ট খুলে দেয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী

উত্তোলনের তুলনায় মাটির নিচে পানি জমছে কম, খরাপ্রবণ এলাকায় বড় শঙ্কা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে যাচ্ছেন নাহিদ ইসলাম