শিরোনাম
বাঙ্গরায় এলাকাবাসীর সহায়তায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার মুরাদনগরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী শূট্যার শাকিল গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী শূট্যার শাকিল গ্রেপ্তার পত্নীতলায় দুই দিনে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৯ ডিজিটাল প্রতারণার তথ্য ও প্রবণতা তুলে ধরতে চালু হলো ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল প্রতারণা মানচিত্র’ রাজশাহীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা আইএইচটিতে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ গুঞ্জন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দাবি—উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার সামাজিক ও মানবিক কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও মেয়র পদপ্রার্থী আরিফুল ইসলাম রোমান বান্দরবান সদর উপজেলা পিআইও মিল্টন দস্তিদার দুদকের মামলায় কারাগারে
শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোজার বাড়তি চাহিদা সামলাচ্ছে দেশি ফল

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:বুধবার ০৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

এক সময় মৌসুম ছাড়া দেশে থাকতো না ফলের জোগান। মৌসুম নয়, এমন সময়ে রোজা হলে তখন নির্ভর করতে হতো বিদেশি ফলে। অর্থাৎ রমজানে ফলের বাড়তি চাহিদা পূরণ হতো আমদানির মাধ্যমে। তবে সময়ের পরিবর্তনে কৃষকরা এখন দেশি ফলের বাণিজ্যিক উৎপাদনের দিকেও ঝুঁকছেন। এবার রোজায় বাড়তি ফলের চাহিদা সামলাচ্ছে দেশি ফল।


আগে যেখানে শুধু ‘মধু মাসে’ (মে-জুন) বাজারে দেশি ফলের খোঁজ মিলতো, এখন সে চিত্র পাল্টেছে। বছরজুড়ে বাজারে নানান ফলের জোগান থাকছে। বিশেষ করে ২ দশক ধরে ফলের বাণিজ্যিক চাষের সাফল্যের কারণে দেশে ফল উৎপাদনে নীরব বিপ্লব ঘটেছে বলা যায়। এ কারণে এ বছর মৌসুম না হলেও ইফতারিতে আমদানি করা ফলের ওপর নির্ভরশীল ততটা হতে হয়নি।

* কম দামের ইফতারিতে আগ্রহ বেশি

* বছরজুড়েই ফলের জোগান এখন

* রোজায় বিক্রি বেড়েছে ৪০ শতাংশ

* বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের সুফল

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানুষের আয় বাড়তে থাকলে খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আসে। আবার নগরায়ণের কারণেও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন ঘটছে। এখন মানুষের ফলমূল খাওয়া অনেক বেড়েছে। এ বছর রোজায় দেশে চাষ হওয়া আপেল, কমলা, আঙুর, মাল্টা, বেদানা, পেয়ারা, পেঁপে, বরই, আনারস, কলা, তরমুজসহ অন্যান্য ফল কেনার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। এসব দেশি ফলের কারণে বিদেশি ফলের আমদানি কমেছে।



কথা হয় রাজধানীর বাদামতলীতে খাজা ফ্রুট স্টোরের স্বত্বাধিকারী, আমদানিকারক ও পুরোনো ব্যবসায়ী বাইরাত মিয়ার সঙ্গে।  তিনি বলেন, সাউথ আফ্রিকার সবুজ আপেল আমরা আমদানিকারকরাই বিক্রি করছি ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা কেজি। কাশ্মিরের পিয়ার বেচি ২৯০ থেকে ২৯৫ টাকা। ভারতীয় আঙুর আমাদানিতে খরচ ২৪০ টাকার ওপরে। এসব খুচরা বাজারে আরও ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি দামে ক্রেতারা কিনছেন।



তিনি বলেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, সরকার আমদানি নিরুৎসাহিত করা ও ভ্যাট ট্যাক্স বাড়ার কারণে এবার ফলের আমদানিতে খরচ রেকর্ড পরিমাণ বেশি। সে তুলনায় দেশে উৎপাদিত ফলের দাম অনেক কম। সাশ্রয়ী ও জোগান বাড়ায় এখন দেশি ফলের কারবার বড় হচ্ছে।



কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বাংলাদেশ এখন বার্ষিক কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, আম উৎপাদনে সপ্তম ও পেয়ারা উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া জাম, লিচু, বরই, কামরাঙ্গা, কদবেল, লেবু, আনারস, লটকন, আতা ও সফেদার মতো ফলগুলোও বেশি পরিমাণে চাষ করা হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে। এমনকি ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে স্ট্রবেরি, ড্রাগন ও মাল্টার মতো বিদেশি ফলের চাষও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।


একদিকে বিদেশি ফলের মূল্যবৃদ্ধি, অন্যদিকে দেশি ফলের ব্যাপক জোগানের কারণে উচ্চবিত্তরা ছাড়া এখন নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ নির্ভর করছে দেশি ফলের ওপর।



রামপুরা বাজারে ফল কিনতে এসে ইউসুফ হোসেন বলেন, এখন আনারস, পেয়ারা, পেঁপে নিত্যদিনের ইফতারের সঙ্গী। এগুলোর দামও কম, খেয়েও তৃপ্তি। বাজারে এখন অহরহ ফল মিলছে, যা আগে এত ছিল না।


এদিকে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বলছে, এই রমজানে বিদেশি ফলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশি ফল কেনার প্রবণতা ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এসময় প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার টনের মতো পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছরের দ্বিগুণ। এছাড়া পেঁপে ও আনারসের বিক্রি বেড়েছে ৩০ শতাংশ। দেশি সাগর ও সবরি কলার বিক্রিও অনেক বেড়েছে।



ফল ব্যবসায়ী শাহাবুদ্দিন বলেন, এ বছর আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুরের মতো বিদেশি ফলের আমদানি কমেছে। বিশ্ববাজারে দাম কমলেও ডলারের সংকটে এলসি খোলা যায়নি। গত বছরের ১০২ টাকার ডলার, এখন ১২০ টাকা। আমদানি আরও কমবে এ অবস্থা থাকলে। এসময়ে মানুষের ভরসা হয়ে উঠছে দেশি ফল।


এদিকে তথ্য বলছে, গত কয়েক বছর ফলের আমদানি কমছে ক্রমাগত। গত অর্থবছর (২০২২-২৩) দেশে বিদেশি ফল এসেছে ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪৪ টন। এর আগের অর্থবছর (২০২১-২২) বিদেশি ফল আমদানি হয়েছিল ৮ লাখ ৯ হাজার ৭৯৬ টন। অর্থাৎ সর্বশেষ অর্থবছরে দেশে ফল আমদানি কমেছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৫২ টন বা ২৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আমদানি করা ফলের মধ্যে শতাংশের হিসাবে সবচেয়ে কম এসেছে আপেল ও আঙুর। গত অর্থবছরে এই দুই ধরনের ফল আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৯ শতাংশ কম এসেছে। শুকনা ও তাজা কমলা কম এসেছে ২৫ শতাংশ। ম্যান্ডারিন (ছোট কমলা) কম এসেছে ১৬ শতাংশ। অন্য ফলের (মাল্টা, নাশপাতি, নাগ ফল, আনার ইত্যাদি) আমদানি কম হয়েছে ৩৭ শতাংশ।


এসব বিষয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. রাশেদুল হাসান বলেন, আমদানি কমলেও বাজারে ফলের জোগান কিন্তু কমছে না। দেশি ফল সে জায়গা করে নিচ্ছে। এখন সারা বছর ফলের জোগান যেমন বেড়েছে, তেমনি ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে। আবার সারা বছর ফল চাষ করেও সবাই এখন অর্থনৈতিক সফলতার মুখ দেখছে। কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অনেকে এখন বিভিন্ন দানাদার সফল চাষ বাদ দিয়ে ফল চাষে ঝুঁকছেন। এটা ভালো লক্ষণ। কারণ ফল বেশি অর্থকরী ফসল।


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক হামিদুর রহমান  বলেন, ফলের প্রাপ্তি বাড়াতে সরকারের কিছু ভালো উদ্যোগ ছিল। সেটাও সুফল দিয়েছে। এখন বছরজুড়ে ফলের ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়েছে একটি প্রকল্প।


তিনি বলেন, এ কারণে ফল গ্রহণের মাত্রাও বেড়েছে। গত এক দশকে প্রায় তিনগুণ মাথাপিছু ফল গ্রহণের মাত্রা বেড়েছে। সেজন্য সরকারের ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’ খুব ভালো কাজ করেছে।


এদিকে সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) খানা আয়-ব্যয় জরিপ-২০২২-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গত ছয় বছরের ব্যবধানে মানুষের প্রতিদিনের ফলমূল গ্রহণের পরিমাণ প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। ২০১৬ সালের হিসাবে একজন মানুষের প্রতিদিন গড়ে ফলমূল গ্রহণের পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৮০ গ্রাম।


বছরব্যাপী ফল উৎপাদন প্রকল্পের পরিচালক ও ফল বিশেষজ্ঞ ড. মেহেদি মাসুদ বলেন, ড্রাগন ও পেয়ারা সারা বছর চাষ নিশ্চিত করা গেছে এ প্রকল্পের মাধ্যমে। সুফল এখন মিলছে। কাসাভা, স্ট্রবেরির মতো ফল বাগানিরা চাষ করছেন। বারোমাসি কাঁঠাল ও আম উৎপাদনের বাণিজ্যিক প্রারম্ভ হয়েছে।


তিনি বলেন, এ প্রকল্পের আরও একটি বড় সফলতা নওগাঁকে আমের রাজধানীতে রূপান্তর করা। সেখানে এখন সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হচ্ছে। রপ্তানিও হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। শুধু দেশের উৎপাদন নয়, রপ্তানিতেও এ প্রকল্প বড় সফলতা দেখিয়েছে।


মেহেদি মাসুদ বলেন, এ প্রকল্প শুরুর পর আমরা গড় ফল গ্রহণের মাত্রা ১০০ গ্রামে নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য এখন ২৫০ গ্রাম।


আরও খবর




বাঙ্গরায় এলাকাবাসীর সহায়তায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

পূর্ব সুন্দরবনে ট্রলারসহ ৪ বস্তা হরিণ ধরার মালা ফাঁদ জব্দ করেছেন বনরক্ষীরা

বাঁশখালীতে বাড়িতে চুরির অভিযোগ, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকারসহ ক্ষতি ১০ লাখের বেশি

ধর্মপাশায় পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির দ্বী- বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মোহাম্মাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া

রূপগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী শূট্যার শাকিল গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী শূট্যার শাকিল গ্রেপ্তার

শ্রীপুরে ৩ সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে প্রবাসীর স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য

পত্নীতলায় দুই দিনে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৯

১নং মাওনা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মাদকমুক্ত ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান মাসুদ্ রানা

চন্দনাইশে রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্সে পীরে বাঙ্গাল সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ

ডিজিটাল প্রতারণার তথ্য ও প্রবণতা তুলে ধরতে চালু হলো ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল প্রতারণা মানচিত্র’

শ্বশান ব্রিজের কাছে বিশাল গর্ত: যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

রাজশাহীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

বিএনপি'র সাবেক চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

গাইবান্ধায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও তার ভাই আটক

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগে পঞ্চগড়ে আনন্দ, চলছে মিষ্টি বিতরণ

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ‘অসকস’ সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও চারটি দাবি উপস্থাপন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সালেহ মোঃ আদনান

রংপুরের তারাগঞ্জে বড় বোনের বাসা থেকে ছোট বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন নওগাঁ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা

শেৱপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কর্মী সেলিম গ্রেপ্তার

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তেলিজানা আলিম মাদ্রাসায় আলোচনা,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম কান্ড, অভিযোগ-বদলি নিয়ে চলছে তদবির

মুরাদনগরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

রংপুরের তারাগঞ্জে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এমপি সাকিলা ফারজানা

সর্বগামী তেতুলিয়া নদীর গ্রাস থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসী

রাজারহাটে ঘড়িয়ালডাঙ্গা জমিদারবাড়ি কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া এক শেকড়


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠন পেল বাণিজ্য সংগঠনের লাইসেন্স

জাতিসংঘে অনুমোদিত হবে এলডিসির সময় বৃদ্ধি : বাণিজ্যমন্ত্রী

‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে হবে: আলহাজ মো. সোহাগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদে নতুন প্রাণ, বন্ধ পাটকলে ১,০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

শিগগিরই মার্জিন ইস্যু রুলসসহ ৩ বিধিমালায় পরিবর্তন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও শক্তিশালী হবে বিএসটিআই: শিল্পমন্ত্রী

সামনের কঠিন পথ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

জিডিপি-কর্মসংস্থানে বড় অবদান, তবুও নীতি সহায়তার অভাবে ধুঁকছে হালকা প্রকৌশল শিল্প