
স্টাফ রিপোর্টার ঃ অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী কল্যাণ সংস্থা (অসকস) বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সার্জেন্ট হুমায়ুন কবির নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলমের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। সাক্ষাৎকালে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন কল্যাণমূলক ও সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি-দাওয়া নিয়ে দুই নেতার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে অসকস-এর পক্ষ থেকে সাবেক সেনাসদস্যদের জীবনমান উন্নয়নে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও সময়োপযোগী প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। আলোচনার উল্লেখযোগ্য বিষয় ও প্রস্তাবসমূহের মধ্যে রয়েছে:ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন: চলতি জুলাই মাস থেকেই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়ন করা।বিনামূল্যে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা: অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সকল সদস্যের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সব ধরনের আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।দ্বিতীয় বিবাহের দাপ্তরিক স্বীকৃতি: অবসর গ্রহণের পর কোনো সদস্যের স্ত্রী মৃত্যুবরণ করলে, পরবর্তীতে পুনরায় বিবাহের ক্ষেত্রে তা সরকারিভাবে সার্ভিস বুকে ও নথিপত্রে সহজে লিপিবদ্ধ করার সুযোগ প্রদান।রেশন মানি বৃদ্ধি: বর্তমান বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মাসিক রেশন ভাতা বিদ্যমান ১,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত উন্নীত করা।বৈঠক শেষে অসকস বাংলাদেশ-এর সভাপতি সার্জেন্ট হুমায়ুন কবির গণমাধ্যমকে জানান, "বিগত সরকারের আমলে এই দাবিগুলো কেবল নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল, কোনো বাস্তবায়ন হয়নি। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতায় আমরা আশাবাদী যে এই ন্যায়সংগত দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।"আলোচনায় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম সাবেক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দেশের প্রতি অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি দেশের সকল অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ব্যক্তিগত বিভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে এবং নিজেদের অধিকার আদায়ে এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি উত্থাপিত প্রস্তাবনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন।




























