
ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার ফুলবাড়ীয়া উপজেলা প্রতিনিধি আজিজুল ইসলামকে প্রাণনাশ, মারধর এবং হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম সোহাগ ও তার মা আয়েশা আক্তার লিপির বিরুদ্ধে ফুলবাড়ীয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই সাংবাদিক। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমিরুল ইসলাম সোহাগকে নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে ৪ আগস্ট ‘সংবাদ দিগন্ত’-এ ‘কে এই সোহাগ, যেভাবে ফেলতেন ফাঁদে’, ৫ আগস্ট ‘দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন’-এ ‘ফুলবাড়ীয়ায় আমিরুলের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে ও চাকরির প্রলোভনের অভিযোগ’ এবং ১০ আগস্ট ‘মানবজমিন’-এ ‘প্রেমের ফাঁদে ভয়ংকর প্রতারণা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সংবাদ নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন আজিজুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, ৫ আগস্ট রাত ১১টা ৪২ মিনিটের দিকে আমিরুল ইসলাম সোহাগ তার ফেসবুক আইডি থেকে মেসেঞ্জারে আজিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি বাড়ি ও কর্মস্থল ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাব থেকে তুলে নিয়ে মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ওই সাংবাদিক। এরপর ২৪ আগস্ট বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে আমিরুল ইসলামের মা আয়েশা আক্তার লিপি সাংবাদিক আজিজুল ইসলামের স্ত্রীকে ফোন করে গালিগালাজ এবং আজিজুল যেন সংবাদ লিখতে না পারেন, সে জন্য তার হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী সাংবাদিক বলেন, এসব ঘটনায় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সংবাদ প্রকাশ ও জনস্বার্থে তথ্য শেয়ার করার কারণে এ ধরনের হুমকি তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি। অভিযোগে আরও বলা হয়, আমিরুল ইসলাম সোহাগের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও আদালতের ওয়ারেন্ট থাকার তথ্য রয়েছে। তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড ও আদালতের নথি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ীয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম সোহাগ ও আয়েশা আক্তার লিপির বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।



























