
আরাফাত আলী,স্টাফ রিপোর্টার :
পিয়নের মাধ্যমে চলছে কুশুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ঘুষ বাণিজ্য শিরোনামে আলোকিত সকাল পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়ন (ভূমি) সহকারী কর্মকর্তা মোকাররম হোসেনকে বদলী করা হয়েছে। তবে বহাল তবিয়তে রয়েছে ওই অফিসের পিয়ন আলমগীর হোসেন। মোকাররম হোসেনকে কলারোয়া উপজেলার পৌর ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে।
প্রসঙ্গত,গত ১১ আগস্ট দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় কুশুলিয়া ভূমি অফিসের ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরে কুশুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ওই কর্মকর্তাকে বদলি করা হলেও বহাল তবিয়তে রয়েছে পিয়ন আলমগীর হোসেন। উপজেলার বাজারগ্রাম এলাকার শেখ ইব্রাহিম বলেন, তিনি তার জমি মিটিশন করার জন্য গত কয়েকদিন আগে কুশুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলেন। ৪৩ শতক জমির জন্য মিটিশন খরচ বাবদ সাড়ে ৬ হাজার টাকা চেয়েছিলেন সেখানের কর্মরত পিয়ন আলমগীর হোসেন। সেখানে ওই সময় আলোকিত সকাল পত্রিকার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ভূমি অফিসের ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পরে কুশুলিয়া ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বদলি হলেও ঘুষ বাণিজ্যের মুল নায়ক পিয়ন আলমগীর হোসেন এখনও রয়েছেন ওই অফিসে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককের নিকট পিয়ন আলমগীর হোসেনেরও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
কলিযোগা গ্রামের মোতালেব হোসেন বলেন, পিয়ন আলমগীর হোসেন ৩৩ শতক জমি মিটিশন করার জন্য তার কাছে ৭ হাজার টাকা চেয়েছিল। ঘুষ ছাড়া কুশুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কোন কাজ হয়না। পিয়নের মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন অফিসের সবাই মিলে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাসের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।





























