
অসহনীয় লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন। দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। ব্যাহত হচ্ছে লেখাপড়া, কৃষি কাজ ও ব্যবসা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণ বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
দিনের বেশিরভাগ সময়ই থাকছে না বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলে। লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন। দিন-রাত মিলে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে চাহিদার তুলনায় অর্ধেক।
জামালপুরে শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা অনেক বেশি। দুর্গম চরাঞ্চলে দিনের বেশিরভাগ সময়ই থাকছে না বিদ্যুৎ। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু, বয়স্ক ও শিক্ষার্থীরা।
গোপালগঞ্জ পৌর এলাকায় ৩০ হাজারের বেশি গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬ মেগাওয়াট হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট।
পল্লী বিদ্যুৎ ও পিডিপি মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ গ্রাহক লক্ষ্মীপুরের ৫টি উপজেলায়। চাহিদা যেখানে ১৫০ মেগাওয়াটের, পাওয়া যাচ্ছে অর্ধেকেরও কম। নিরাবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ জেলার মানুষ।
বিদ্যুৎ সমস্যা দ্রুত সমাধানের পাশাপাশি সোলার বিদ্যুৎতের ওপর জোর দেয়ার আহ্বান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের।
লক্ষ্মীপুরের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে যেন সোলারের মাধ্যমে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে সে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। যে কেউ সোলারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে। এটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
মেহেরপুর, শেরপুরে চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। লোডশেডিংয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।
এদিকে ইরি ধানে সঠিকভাবে সেচ দিতে না পারায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি পোল্ট্রি খামারি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা রয়েছে বিপাকে।































