
স্টাফ রিপোর্টার :সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের তেলিগাঁও (কৃষ্ণতলা) গ্রামের বাসিন্দা ও ভ্রাম্যমাণ মুদির ব্যবসায়ী চন্দন দাশকে ঘিরে চুরি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয়ভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় তার নাম নতুন করে সামনে আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের গোলাবাড়ি গ্রামের মামুন মিয়ার চুরি হওয়া একটি এক্সভেটরের ব্যাটারি চন্দন দাশের কাছে আছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত সালিসি বৈঠকে ব্যাটারিটি ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ঘটনার নিষ্পত্তি করা হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।এ ব্যাপারে গোলাবাড়ি গ্রামের মামুন মিয়া জানান, প্রথমদিকে চন্দন দাশ বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০ হাজার টাকা প্রদান এবং ব্যাটারি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।তবে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দন দাশ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তার কাছ থেকে কোনো ব্যাটারি উদ্ধার হয়নি এবং তাকে জোরপূর্বক সালিসে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি উপস্থিত সালিসকারীদের একজন সবুজের নাম উল্লেখ করে বলেন উনার কাছে জিজ্ঞাস করেন। তবে এ বিষয়ে সবুজের বক্তব্য অনুযায়ী জরিমানার বিষয়টি সত্য বলে জানা যায়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে চন্দন দাশকে অবহিত করা হলে তিনি দাবি করেন, সবুজ ভাই মিথ্যা কথা বলছেন।অন্যদিকে, ডাকাতি ও একাধিক চুরির ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তাকে নিয়ে সৃষ্টি হওয়া চাঞ্চল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দন দাশ কোনো সরাসরি মন্তব্য না করে বিষয়টি এড়িয়ে যান।এর আগে গত ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট শুক্রবার টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের পুরানবাগের কান্দা সংলগ্ন পাটলাই নদীতে সংঘটিত একটি ডাকাতির ঘটনায়ও চন্দন দাশের নাম উঠে আসে। ওই ঘটনায় একই ইউনিয়নের তেলিগাঁও (কৃষ্ণতলা) গ্রামের সচিন্দ্র দাসের ছেলে চন্দন দাশকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।চুরি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন ঘটনায় বারবার চন্দন দাশের নাম আলোচনায় আসায় তাকে ঘিরে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। একের পর এক ঘটনায় একই ব্যক্তির নাম উঠে আসায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।




























